ঘটনাটি ঘটেছে ভোটের আগের রাত বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে গাবতলা চরকগাছিয়া এলাকায়। এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
আহত মো. হেমায়েত হোসেন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে বিএনপির এজেন্ট হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে বরগুনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী আসাদুজ্জামান রিপন জানান, নির্বাচনি মাঠে পাহারায় থাকা বিএনপি কর্মীদের খবর পেয়ে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকেরা বস্তাভর্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে গাবতলা বাজারের দিকে এগোতে থাকেন। বিএনপি কর্মীরা বাধা দিলে তারা সরে যান এবং কিছু সময় পরিস্থিতি শান্ত থাকে। পরে হেমায়েত হোসেন একটি গাড়িকে প্রশাসনের গাড়ি মনে করে পরিস্থিতি জানাতে গেলে গাড়ির ভেতর থেকে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর এক ভাগ্নেকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের একাধিক টিম ও নৌবাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, পরাজয় আশঙ্কা করে প্রতিপক্ষের সমর্থকেরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে এবং নির্বাচনি পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



















