এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে বঙ্গোপসাগরের নারিকেলবাড়ীয়া ও আমবাড়ীয়ার খাড়ি এলাকা থেকে তাদের অপহরণ করা হয়। পূর্ব সুন্দরবনের জেলেপল্লী দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিল্টন রায় জানান, রাতের আঁধারে অজ্ঞাত পরিচয়ের বনদস্যুরা দুবলারের নারিকেলবাড়ীয়া চরসংলগ্ন সাগরে মাছ ধরারত জেলেদের বহরে হামলা চালায়। এ সময় ৮টি ট্রলার থেকে ৮ জন জেলেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অপহৃতদের সবার বাড়ি খুলনার পাইকগাছা এলাকায়।
এ ছাড়া একই রাতে দুবলাচর সংলগ্ন আমবাড়ীয়ার খাড়ি এলাকায় আরেকটি জেলে বহরে হামলা চালায় ‘সুমন-জাহাঙ্গীর বাহিনী’ নামে পরিচিত বনদস্যু দল। দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিন আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ত্রের মুখে সেখান থেকে আরও ১২ জন জেলেকে অপহরণ করা হয়। তাদের বাড়ি পাইকগাছা, কয়রা ও আশাশুনি এলাকায়।
জেলেদের দাবি, বর্তমানে অন্তত চারটি বনদস্যু গ্রুপ সুন্দরবন ও সাগর এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। এতে জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত দস্যু দমন করা না গেলে অনেকে পেশা ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভাবছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বনরক্ষীদের টহল জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
close
কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!
বঙ্গোপসাগরের পৃথক দুটি স্থান থেকে ২০ জন জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ-এর শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্ত..
Nema komentara



















