জানা যায়, বকশীগঞ্জ উপজেলার ফুলদহপাড়া গ্রামের মনজুরুল হকের ছেলে মুস্তাকিন বিল্লাহ ২০২৪ সালের ফাজিল পরীক্ষার্থী ছিলেন। ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ৪১৬ বিষয় কোডের ইসলামী স্টাডিজ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করে ওমরা পালন করছিলেন। ফলে তিনি নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি।
অভিযোগ রয়েছে, পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও হাজিরা খাতায় তার উপস্থিতি দেখানো হয় এবং তার পরিবর্তে অন্য একজন প্রক্সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরে ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত ফাজিল পরীক্ষার ফলাফলে মুস্তাকিন বিল্লাহ জিপিএ-৩.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২১২০৩১১৯১ এবং ফাজিল রোল নম্বরও একই।
এ বিষয়ে বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব সুলতান মাহমুদ খসরু বলেন, “মুস্তাকিন বিল্লাহর ফলাফল এসেছে। তবে তিনি কীভাবে পাশ করেছে, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”
অন্যদিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইয়াসিন আলী বলেন, “বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে আমার জানা নেই। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষাঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



















