বিজয় না আসা পর্যন্ত বিশ্রাম নেই: জামায়াত আমীর
মোহাম্মদ জামশেদ আলম,
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের বিশ্রাম নেই। বীর চট্টলা শুধু একটি জেলার নাম নয়—এটি প্রতিবাদের প্রতীক। চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আজ মানুষ কথা বলছে। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত পরিবর্তনের জোয়ার উঠেছে।”
সোমবার (২ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জামায়াত আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “স্বাধীনতার পর বহু সরকার এসেছে ও গেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্যের মৌলিক পরিবর্তন হয়নি। এবার মানুষ প্রকৃত পরিবর্তন চায়।”
ভোট কারচুপি ও অর্থের প্রভাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কেউ যদি টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করে, তাকে আইনের হাতে তুলে দিতে হবে। আগে বলা হতো—আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব। এবার তা আর হবে না। যে দুটি ভোট দিতে আসবে, তার হাত গুটিয়ে দেওয়া হবে।”
জনসভাস্থলে ডা. শফিকুর রহমান পৌঁছালে হাজার হাজার নেতা-কর্মী স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের আমীর আলাউদ্দিন শিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান। এছাড়া বক্তব্য দেন উত্তর জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী, উত্তর জেলা শ্রমিক সভাপতি ইউসুফ বিন আবু বকরসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জনসভায় জামায়াত ও তাদের সমর্থিত সংসদীয় প্রার্থীগণসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ছাত্রসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন— চট্টগ্রাম-১ আসনের এডভোকেট ছাইফুর রহমান, চট্টগ্রাম-২ আসনের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-৪ আসনের আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনের নাসির উদ্দিন মনির, চট্টগ্রাম-৬ আসনের শাহজাহান মঞ্জু এবং চট্টগ্রাম-৭ আসনের ডা. এটিএম রেজাউল করিম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সনাতন প্রতিনিধি দোলন দেব, কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধায়ক ইব্রাহিম, ডাকসু জিএস এসএম ফরহাদ, চবি শিবির সভাপতি ও চাকসু ভিপি ইব্রাহিম রনি, উত্তর জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি শওকত আলী, এনসিপি নেত্রী শাগুফতা বুশরা মিশমা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা জাফরুল্লাহ নিজামী, এপি পার্টির জিয়া চৌধুরী, নেজামে ইসলাম পার্টির মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ আলী, হাফেজ জাকারিয়া খালেদসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।



















