এ সময় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে বলেও জানা গেছে। পুলিশের নিকট সোপর্দকৃতরা হলো আমজাদ হকারের ছেলে জয়নাল হোসেন (জিহাদ), শফিক ও রঞ্জু সরকার। এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের ৪ গাভী গরু (দাম প্রায় ৭লক্ষ টাকা) গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় পিকআপে করে চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা। সকালে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় গরু চুরি করে পিকাপে নিয়ে যাওয়ার ১৫ মিনিট পর একই রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে শফিক ও মঞ্জুর চলে যায়। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে গ্রামবাসী বিকেলে তাদের গতিরোধ করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এ সময় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা তাদেরকে গণধোলাই দিয়ে অভিযুক্তদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনা¯’লে পৌঁছে পরি¯ি’তি নিয়ন্ত্রণে আনে ও আহত অব¯’ায় ৩ জনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে অভিযুক্ত রঞ্জু চুরির অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে , এই ঘটনার বিষয়ে সে কিছুই জানি না। উল্টো এলাকাবাসী তার দুটি ছাগল নিয়ে গেছে। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, শফিক, রঞ্জু, জয়নাল ও কান্টু এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গরু চুরি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবসথা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা। শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি এস এম মইনুদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গরু চুরির অভিযোগ ও গণধোলাইয়ের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বগুড়া শেরপুরে গরু চুরির অভিযোগে গণধোলাই, তিনজনকে পুলিশের হাতে তুলে দিল জনতা..
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি



















