আমতলীতে অবৈধ স্থপনার জন্য খাল খনন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।

ফরিদ হোসেন খিজির avatar   
ফরিদ হোসেন খিজির
আমতলীতে অবৈধ স্থপনার জন্য খাল খনন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
আমতলীতে অবৈধ স্থপনার জন্য খাল খনন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
****


 বরগুনার আমতলীর লোচা-আমতলী খালটি দৈর্ঘ্য ৩.৭০০ কিলোমিটার খালের বেশির ভাগ অংশ খনন করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড পাউবো  বরগুনা ।এই খালের আমতলীর মাছ বাজার সলগ্ন অংশে ৫০০ মিটার খাল রয়েছে। এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি কালভার্ট ও রয়েছে।এই ৫০০ মিটার খাল যেযে ভাবে পারছে সে ভাবে দখল করে স্থাপনা করেছে আর এই দখলের কারনে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানান  বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।  
সরেজমিনে দেখাগেছে. এই অবৈধ স্থাপনার জন্য পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। যার ফলে আমতলী  নদী ও চাওড়া খালে কচুরিপানা ওপানি দুষন চরম আকার ধারণ করছে।পাউবোর  কালভার্ট সলগ্ন 'ধুপির খালটি দখল করে প্রভাবশালীরা বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছেন।তাদের দখলে আর ময়লার স্তুপে পানি নিষ্কাষন বন্দ হওয়ার উপক্রম।স্থানীয়রা জানান, ৯০ দশকের মাঝামাঝি সময়েও খালটিতে নৌকা চলাচল করতো।কিন্তু বর্তমানে বেশির ভাগ অংশ প্রভাবশালীরা ভরাট করে দখল করায় এটি মরা খালে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,সংযোগ খালটির দু'পাড়ে ও খালের মধ্যে প্রভাবশালীরা আধা কিলোমিটার পাকা স্থাপনা করে দখল করায় খালটি সরুহয়েগেছে। কালভার্টের মুখ দখল করে প্রভাশালীরা ঘর উত্তোলন করে ফল ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দিয়েছে।এতে পানি চলাচল বিঘিœত হচ্ছে।
 জানা যায়,চাওড়া সুবান্দী খালের পশ্চিম পাশে দিয়ে বিশ্ব ধোপার বাড়ি হয়ে ধোপার খালটি চৌরাস্তা সংলগ্ন কালভার্ট হয়ে পায়রা নদীতে মিশেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ,প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তির দখল ও দূষণে নাব্যতা হারিয়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এক সময়ের খরস্রোতা খালটি। ধুপির খালের পাড়ের বাসিন্দা মো. মহিম মিয়া বলেন, ধুপির খাল দিয়ে চাওড়া সুবান্দি খালের পানি নিষ্কাশন হতো বর্তমানে খাল দখল করে পাকা স্থাপনা করায় খালটি সরু হয়ে গেছে এখন আর তেমন পানি প্রবাহিত হচ্ছে না।

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

এলাকাবাসী ধুপির খাল ও মাছ বাজার কালভার্ট সলগ্ন খাল  অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে  খাল উদ্ধার করে খননের দাবী জানিয়েছেন।
  এবিষয় বরগুনার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হান্নান প্রধান  বলেন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য বরগুনা জেলা প্রশাসক বরাবর প্রস্তাব পাঠানো হেেয়ছে। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ পূর্বক খাল  খনন করা হবে।

कोई टिप्पणी नहीं मिली


News Card Generator