বরগুনার আমতলীর কুকুয়া গ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধে ১নারীসহ তিন জনকে পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় ২৩ মার্চ কুকুয়া গ্রামের মোশারেফ মৃধা প্রতিবেশি মো. সোহাগ হাওলাদার(৪০) মো. বাবুল হাওলাদার(৩৫) তাজেল মৃধা (৪২)হাবিল হাওলাদার (৩৫)ঝর্না বেগম(৪৫)সোনিয়া বেগম(৩৫)কে আসামী করে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করেন।
এই মামলা দায়ের করার পর মামলার আসামী মো. সোহাগ এর স্ত্রী তানজিলা বেগম বাদী হয়ে ২৪ মার্চ মোশারেফ মৃধার দায়েরকৃত মামলার স্বাক্ষী অমিত(২৫)জেসমিন বেগম(ে৪৫) এছাহাক(৭৮)সহ৭জনের নামে আমতলী থানায় কুপিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার মামলা দায়ের করেন।
এঘটনায় তানজিলার দায়ের কৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মিথ্যা মামলা পরিচালনাকারী সোহাগের বিচার চেয়ে গতকাল ১০ টায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। তারা বলেন ঐ দিন এছাহাক মেম্বারের ছেলে রাসেল এর শিশু পুত্র মাইনুল (৪) হারিয়ে যায় ২২ মার্চ ।ঐদিনই মাঈনুল (৪)কে আমতলী একেস্কুল এলাকায় খুজে পাওয়ায় সোমবার রাত ৮ টার সময় এছাহাক মেম্বারের বাড়ীতে দোয়া অনুষ্ঠান শেষে এলাকার ৫ শতাধিক মানুষকে খাওয়া দাওয়া করানো হয়। এছাহাক মেম্বারের ছেলে আবু তালেব বলেন, আমরা সকলে ঐ সময় বাড়ীতে ছিলাম বাড়ীতে আগত লোকজনদের খাওয়াদাওয়া শেষে স্ট্যান্ডে থাকা লোকজনের কাছে সোহাগকে মারধোর করেছে এই কথা বলে সোহাগ ডাকাডাকি করে অটোতে উঠে চলেগেছে।
পরের দিন জানতে পারি সোহাগকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে এঘটনায় আমার পিতা এছাহাক বয়স (৭৮) বছর তাকেও ও আমার পরিবারের সদস্যদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জমিজমা নিয়ে বিরোধে মারধোরের মামলা দায়ের করায় সেই মামলার স্বাক্ষীদের নামে সোহাগের স্ত্রী তানজিলা বাদী হয়ে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।আমরা তানজিলার দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মামলাকারীর বিচারচাই।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমতলী থানার এস আই নাসরিন বলেন বলেন মামলার তদন্ত চলছে।আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Không có bình luận nào được tìm thấy



















