video_20250425_150557
Kurze Hose Erstellen
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারসহ ১৩ জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী
চট্টগ্রাম, ০৮ নভেম্বর ২০২৫: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় প্রতিনিয়ত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এরই ধারাবহিকতায় শনিবার (০৮-১১-২০২৫) বঙ্গোপসাগরে টহল কার্যক্রমের সময় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা শহীদ মহিবুল্লাহ’ সাগরে ভাসমান অবস্থায় একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৩ জন জেলেকে উদ্ধার করে।
কুতুবদিয়া লাইট হাউজ হতে প্রায় ২০ মাইল দূরে ইঞ্জিন বিকল অবস্থায় গভীর সমুদ্রে একটি মাছধরা ট্রলার ভাসতে থাকে। ট্রলারে অবস্থানরত জেলেরা নৌবাহিনীর জাহাজ দেখতে পেয়ে জাহাজের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আলো ও হাত দিয়ে সংকেত প্রদর্শন করে। সাগরে টহলরত নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা শহীদ মহিবুল্লাহ’ সংকেত লক্ষ করে তাৎক্ষণিক বিপদগস্ত জেলে ও ট্রলারের নিকট ছুটে যায়। অতি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নৌ সদস্যগণ ট্রলারসহ অসহায় জেলেদের উদ্ধার করে। উদ্ধারের পরপরই জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ, খাবার ও বিশুদ্ধ পানি প্রদান করা হয়। নৌবাহিনী জাহাজ উদ্ধারকৃত জেলেদের ও মাছ ধরার ট্রলারটিকে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তাদের পরিবার ও মালিক পক্ষের কাছে সকলকে হস্তান্তর করা হয়। জেলেরা জানায়, গত ০৬ নভেম্বর ২০২৫ হতে ট্রলারটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে তিনদিন যাবৎ মাঝ সমুদ্রে ভাসতে থাকে
কচুয়ায় নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে দাদা শাহ আলমের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
মোঃ রায়হান মিয়া কচুয়া চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজের ১৩ বছর বয়সী নাতনিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাষণ্ড দাদা মোঃ শাহ আলমের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১০নং উত্তর গোহট ইউনিয়নের খিলা হাজী বাড়িতে। ভুক্তভোগী মোছাম্মদ জামিলা আক্তার (১৩) ওই গ্রামের শাহাদাত হোসেন সবুজের মেয়ে এবং রহিমানগর মিফতাহুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর আবাসিক (বোর্ডিং) ছাত্রী।
পারিবারিক ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী জামিলার পিতা-মাতা দীর্ঘ তিন বছর যাবত কুমিল্লা শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। মেয়ের লেখাপড়ার সুবিধার্থে তাকে রহিমানগর মিফতাহুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার বোর্ডিংয়ে রেখে পড়াশোনা করানো হতো।
শাহ আলমের স্ত্রী দীর্ঘ চার বছর ধরে সৌদি আরব প্রবাসী এবং তার ছোট ছেলে বিপ্লবও বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন। সেই সুবাদে শাহ আলম তার প্রবাসী ছেলে বিপ্লবের শূন্য ঘরে একাকী বসবাস করতেন। গত ২০ মে ২০২৬ ইং তারিখে শাহ আলম জামিলার বাবাকে ফোন দিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে বলিয়ে জামিলাকে ঈদের ছুটিতে খিলা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন।
পরবর্তীতে গত ২৫ মে ২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১২টার দিকে শাহ আলম তার নাতনি জামিলাকে ডেকে বলে, প্রবাসে থাকা তার দাদীর সাথে ফোনে কথা বলিয়ে দেওয়া হবে। এই উছিলায় তাকে বিপ্লবের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে জামিলার মুখ চেপে ধরে এবং হাতে থাকা চুরির ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পাষণ্ড দাদা শাহ আলম। ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়।
"আমি আমার বাবার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই"
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী জামিলা আক্তারের পিতা মোঃ শাহাদাত হোসেন সবুজ বলেন, "আমার নিজের জন্মদাতা বাবা আমার মেয়েকে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এনে এই জঘন্যতম কাজ করবে, তা আমি কল্পনাও করতে পারিনি। আমি আমার পাষণ্ড পিতার কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।"
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জামিলার ছোট চাচী আঁখি আক্তার বলেন, আমার শ্বশুর যে এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটাবেন, তা আমাদের ধারণার বাইরে ছিল। ঘটনাটি শোনার পর আমি স্তব্ধ।
জামিলা আক্তারের মা বলেন, আমার শশুর মোঃ শাহ আলম আমার মেয়ের সাথে যে ঘটনা করেছে আমি দেশবাসী ও প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।"
এই বিষয়ে কচুয়া থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসামিকে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।



