video_20250317_154407
شلوار کوتاه ایجاد کردن
কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি,
১১ জুন ২০২৫:
কুতুবদিয়া উপজেলার ধুরুং বাজার
ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিসবাহুল আলমকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার
ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল দশ টায় ধুরুং বাজার সড়কে স্থানীয় ব্যবসায়ী
ও জনসাধারণের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বাজার কয়েক শতাধিক
ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ধুরুং বাজার
ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ। সমাবেশে
বক্তারা বলেন, “ব্যবসায়ী নেতাকে প্রকাশ্যে মারধর করার মত ঘটনা
কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে
হবে।”
বক্তারা আরও জানান, যদি
দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে পরবর্তী
সময়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী
জানানো হয়, যাতে দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নড়িয়াতে জামায়াতের ইফতার মাহফিল।
মোঃ নাহিদ হোসেন।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলায় বিহারী লাল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়,
ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
অধ্যাপক ডাঃ মাহমুদ হোসেন বকাউল
সেক্রেটারি জেনারেল এনডিএফ ও এমপি পদপ্রার্থী শরীয়তপুর ২ ( নড়িয়া, সখিপুর)
প্রধান আলোচক,
মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রব হাসেমী
আমির বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শরীয়তপুর জেলা।
সভাপতি,
মাওলানা কাজী আবুল বাশার
আমির বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নড়িয়া উপজেলা পূর্ব।
সঞ্চালনা ও ব্যবস্থাপনা
ইঞ্জিনিয়ার কাহেত নজরুল ইসলাম
আমির বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নড়িয়া উপজেলা পশ্চিম।
Cheating😂😂 #school #funnysituation #comedyvideo #exam #foryourpage
#aakbor #mrakbor #iamaakbor
গাজীপুরে ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের মৃত্যু: মতিউরহমানের ‘নিউ লাইফ’ হাসপাতালের বিরুদ্দে
গাজীপুরের টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় অবস্থিত নিউ লাইফ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন চলাকালে তামান্না (২১) নামের এক প্রসূতি এবং তার নবজাতক সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। নিহত তামান্না গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানাধীন বসুগাঁও-মীরের বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং তুহিনের স্ত্রী ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, গত কয়েকদিন আগে প্রসবজনিত জটিলতার কারণে তাকে উক্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচারের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতার অভাব এবং ভুল চিকিৎসার কারণে মা ও শিশু উভয়ই প্রাণ হারান। ঘটনার পর থেকেই এলাকা জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয়রা এই অবৈধ হাসপাতালের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এই মৃত্যুর ঘটনাটি কেবল একটি বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়, বরং চিকিৎসাসেবার নামে পরিচালিত একটি অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার চরম প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। ঘটনার পরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রহস্যজনকভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে গোপনে মীমাংসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের তীর মতিউর রহমান নামের এক ব্যক্তির দিকে, যাকে স্থানীয়রা ‘মতিউর কসাই’ হিসেবে অভিহিত করছেন। অভিযোগ রয়েছে যে, মতিউর রহমান নিজে একজন অ্যানেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে রোগীদের অপারেশন করেন, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতি ও আইনের চরম লঙ্ঘন। তামান্নার স্বজনদের দাবি, অপারেশন থিয়েটারে অদক্ষতা এবং ভুল অ্যানেস্থেশিয়ার কারণেই তামান্না ও তার নবজাতক মৃত্যুবরণ করেছেন। শুধু নিউ লাইফ হাসপাতাল নয়, মতিউর রহমান একই এলাকায় মাইসা জেনারেল হাসপাতাল নামে আরেকটি বিতর্কিত চিকিৎসালয় পরিচালনা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের মতে, প্রশাসনকে ম্যানেজ করার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এসব অপচিকিৎসা কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। তামান্নার পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়ে অভিযোগ করেন যে, একটি সাধারণ সিজারিয়ান অপারেশন করতে গিয়ে ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে তাদের পরিবারের দুজন সদস্য অকালে প্রাণ হারালেন, যার দায় কোনোভাবেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারে না।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, মতিউর রহমানের মালিকানাধীন এসব হাসপাতালে নিয়মিত বিরতিতে অঘটন ঘটলেও প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় তিনি বারবার পার পেয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এবং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে এসব অবৈধ হাসপাতালগুলো কোনো ধরনের লাইসেন্স বা মানদণ্ড ছাড়াই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে মতিউর রহমানের সকল হাসপাতাল সিলগালা করে তাকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া না গেলেও, তারা তড়িঘড়ি করে ভুক্তভোগী পরিবারকে আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে ঘটনাটি মীমাংসা করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
চিকিৎসাসেবার নামে এ ধরনের প্রতারণা এবং অবহেলা জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। যদি মতিউর রহমানের মতো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে এমন আরও প্রাণহানির ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকেই যায়। সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। তামান্নার মৃত্যুর এই মর্মান্তিক ঘটনাটি একটি সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত, যাতে আর কোনো প্রসূতিকে ভুল চিকিৎসার বলি হতে না হয়।



