close

ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!

Kratke hlače Stvoriti

ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক চাল ব্যবসায়ীকে তার নিজ দোকানের ভেতর নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর লাশ দোকানের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে শাটার বন্ধ করে পালিয়ে যায় ঘাতকরা। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বগার বাজার চৌরাস্তায়।

নিহত সুসেন চন্দ্র সরকার (৬২) উপজেলার সাউথকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বগার বাজার চৌরাস্তায় ‘মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি চালের আড়তের মালিক ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুসেন চন্দ্র সরকারকে আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করে। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।

দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে দোকানে গিয়ে শাটার খুলে ভেতরে সুসেন চন্দ্র সরকারকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছেলে সুজন সরকার জানান, তাদের দীর্ঘদিনের চালের ব্যবসায় কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। হত্যার পর দোকান থেকে কয়েক লাখ টাকা লুট করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান পরিবার।

ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

Md Ashik

0

0

1

বরগুনা জেলার প্রশাসন ব্যবস্থায় নতুন উদ্দীপনা ও আশার প্রতীক হয়ে উঠে এসেছেন সদ্য যোগদান করা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ্ তাছলিমা আক্তার। জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি মানবিকতা, আন্তরিকতা ও উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে একের পর এক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। প্রথমবারের মতো বরগুনা একজন নারী জেলা প্রশাসক পাওয়ায় জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ইতিবাচক সাড়া।

শীত মৌসুমের শুরুতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় অসহায়, শীতার্ত ও দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, ভিক্ষুক পুনর্বাসন, শিক্ষা সহায়তা এবং সামাজিক সুরক্ষায় উদ্যোগ নিচ্ছেন,

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকার উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা, রাস্তা-ঘাট এবং নদীভাঙনসহ গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি বাস্তব সমস্যাগুলো খুব কাছ থেকে জেনেছেন এবং সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন।

জেলার প্রতিটি উপজেলা, শহর ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন শুরু করেন। জনগণের সমস্যা জানার পাশাপাশি চলমান উন্নয়নকাজগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তিনি

Atiqur Rahman

0

0

7

shibbari Khulna

MD SHOFIQUL ISLAM ISLAM

0

0

7

⁣রংপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে দোল উৎসব, প্রতিটি মন্দিরে ভক্তের উপচে পড়া ভিড়

Akm Kaysarul Alam

0

1

36

খেটে খাওয়া মানুষ এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা করেছিল, গত নয় মাসে তার কিছুই পূরণ হয়নি চোখে, পড়েনি কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। তাই এখন মানুষ চাচ্ছে একটি সুস্থ নির্বাচন।

ইস্পাহানী ইমরান

0

1

21

⁣‎উপকূলীয় জেলায় কোস্টগার্ডের নির্বাচনি নিরাপত্তা টহল জোরদার


‎বিশেষ প্রতিনিধিঃ





‎জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে মোংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কোস্টগার্ড। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে মোংলা ও সুন্দরবনের নদী তীরবর্তী এলাকায় তারা টহল দেয়।





‎এসব এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় দায়িত্ব পালনসহ ভোটকেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি, নিয়মিত টহলের মাধ্যমে একটি উৎসবমুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানায় সংস্থাটির সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।





‎তিনি জানান, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষায় নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।





‎তিনি আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে গত ১৮ জানুয়ারি হতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৮ দিনব্যাপী দায়িত্বাধীন উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোটকেন্দ্রসমূহে দায়িত্ব পালন করবে কোস্টগার্ড।





‎এরই ধারাবাহিকতায় পশ্চিম জোনের আওতাধীন খুলনা-১ ও খুলনা-৬ আসনের দাকোপ ও কয়রা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৫৬টি ভোটকেন্দ্রে কোস্ট গার্ড সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখা হবে।





‎নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যে কোনো ধরনের সহিংসতা দমনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের জানমালসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।


রবি ডাকুয়া

0

0

4