রাশিয়ায় স্মরণকালের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালালো ইউক্রেন, তিনজন নিহত রাশিয়ার উপর ইউক্রেনের সর্বশেষ
شلوار کوتاه ایجاد کردن
*রাশিয়ায় স্মরণকালের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালালো ইউক্রেন, তিনজন নিহত*
রাশিয়ার উপর ইউক্রেনের সর্বশেষ ড্রোন হামলা স্মরণকালের সবচেয়ে বড় আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই হামলায় রাশিয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করা হয়, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনী রাশিয়ার বিভিন্ন স্থানে ড্রোন হামলা চালিয়ে রুশ নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এই হামলায় অন্তত তিনজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এটি ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে চলমান সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে একটি নতুন পর্ব হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রযুক্তির ব্যবহার যুদ্ধের কৌশলগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো এই ঘটনার দিকে নজর রাখছে, এবং এই হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
#রাশিয়া #ইউক্রেন #ড্রোন_হামলা #যুদ্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝালকাঠি:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঝালকাঠি-১ আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোট ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছেন। এদের মনোনয়ন বাতিলের পেছনে হলফনামায় তথ্য গোপন, ঋণ খেলাপী, স্বাক্ষর জালিয়াতি, এবং ১ শতাংশ ভোটারের তালিকায় গরমিলসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে, যা তাদের প্রার্থিতা বাতিলের দিকে এগিয়ে নিয়েছে।
ইসলামি আন্দোলন এর প্রার্থী ইব্রাহিম আল হাদীর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন। উল্লেখযোগ্য আলোচনায় রয়েছে ব্যারিস্টার মইন আলম ফিরোজীর বাতিল হওয়া মনোনয়ন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কারণে সৃষ্ট জটিলতা। এই তালিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম হল ব্যারিস্টার মইন আলম ফিরোজী। তাঁর মনোনয়ন বাতিলের প্রধান দুটি কারণ হল তাঁর ১০ লক্ষ টাকার আয়কর বকেয়া থাকায় এবং জমা দেওয়া ১ শতাংশ সমর্থক ভোটারের তালিকার ৮ নম্বর ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করায়। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি ঘরানা) মোস্তাফিজুর রহমান এবং গোলাম আজম সৈকতের মনোনয়নও বাতিল হয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে জনতা ব্যাংকের ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে এবং তাঁর সমর্থক তালিকায় মৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর পাওয়া গিয়েছে। অন্যদিকে, গোলাম আজম সৈকতের বিরুদ্ধে তিনটি মামলার মধ্যে দুটিতে সাজাপ্রাপ্ত হওয়া এবং ১ শতাংশ ভোটার তালিকার মধ্যে ৮ জনের তথ্যে গরমিল পাওয়া গেছে।
এছাড়া, নির্বাচনে অংশগ্রহণ-সংক্রান্ত স্বাক্ষর ও নথিপত্রে ত্রুটি পাওয়া গিয়েছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ডা. ফয়জুল হকের প্রস্তাবকারীর স্বাক্ষরের সঙ্গে ভোটার সার্ভারের তথ্যের কোনো মিল পাওয়া যায়নি, যা তাঁকে এই মনোনয়ন লড়াইয়ে থেকে পিছিয়ে দেয়। লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীর স্বাক্ষরের অভাব থাকায় সেটিও বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেনের হলফনামায় স্বাক্ষরটির অনুপস্থিতি এবং তাঁর এইচএসসি পাসের সনদপত্র দাখিলের ব্যর্থতা তাঁকে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
যাইহোক, কেউ কেউ এই সমস্যা সমাধান করে কিংবা যাচাই শেষে তাঁদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা পেয়েছেন। মাহমুদা মিতু, কামরুজ্জামান (জাতীয় পার্টি), রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি), মেজর সাব্বির (স্বতন্ত্র), জসিমউদদীন তালুকদার (জনতার দল), এবং সোহরাব হোসেন (জেএসডি) তাঁদের প্রার্থিতা বৈধ করতে সক্ষম হয়েছেন।
বর্তমানে জাতীয় পার্টি-জেপির প্রার্থী মহিবুল হোসেন ও রুবেলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। রুবেলের বিরুদ্ধে হলফনামায় মামলা গোপনের অভিযোগ উঠেছে যা দলীয় সিদ্ধান্ত ও আইনি যাচাইয়ের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ঘোষণায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, আপিলের সুযোগ রয়েছে, এবং ইতোমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম আজম সৈকত তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।




