পাবনা শহরে বৃষ্টি বিলাস
Shorts Créer
পাবনা শহরে বৃষ্টি বিলাস
পাবনার আকাশে যখন বাদল নামে, শহর যেন এক নতুন রূপে সেজে ওঠে। রিকশার ছাতার নিচে চুপচাপ বসে থাকা মানুষ, চায়ের দোকানে ধোঁয়া ওঠা কাপে জীবনের যত কথা—সব মিলিয়ে এক নিঃশব্দ আনন্দে শহরটা যেন ভিজে যায়। শহরের পুরাতন মসজিদ আর চারুকলার পুকুরঘাটে বৃষ্টির ফোঁটায় পড়ে এক অপূর্ব শব্দজাল বুনে দেয় প্রকৃতি।
শালগাড়িয়ার পথ, কলেজ মোড়, অথবা টাউন হল—যেখানেই চোখ যায়, বৃষ্টির ছোঁয়ায় মানুষ যেন নিজের ভেতরের ক্লান্তি ধুয়ে ফেলে। তরুণ-তরুণীদের ভেজা হেঁটে যাওয়া, বৃষ্টিতে শিশুদের উল্লাস, আর ভিজে যাওয়া কাঁথা মোড়ানো বৃদ্ধার জানালায় চেয়ে থাকা—সব মিলিয়ে এক বৃষ্টিমগ্ন চিত্রপট তৈরি হয়।
পাবনার বৃষ্টি যেন শুধুই ভেজায় না, মনে জমে থাকা পুরোনো স্মৃতিগুলোও জাগিয়ে তোলে। কারো কাছে তা প্রেমের প্রথম চিঠির মতো, কারো কাছে হারানো সময়ের গন্ধ।
এটাই তো পাবনা শহরের বৃষ্টি বিলাস—নিঃশব্দে অনুভবের জলছবি।
টাকা ফেরত পাওয়ার দাবীতেশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা ক্লাবে ৩মে'২৫ শনিবার উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের মৃত নওশের আলী গাজীর পুত্র রেজাউল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন তার বাড়ীর পার্শ্বে মোঃ কামাল হোসেন তাকে চার লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা চুক্তিতে কুয়েতে নিয়ে যায় ৩১ মার্চ। কুয়েতে যাওয়ার পর তাকে আর এক দালালের কাছে হস্তান্তর করেন। উক্ত দালাল বাড়ী থেকে তাকে ৫০ হাজার টাকা আনতে বলেন। তাকে দাবীকৃত টাকা না দিতে পারায় প্রায়ই অত্যাচার করত। ১ মাস থাকার পরও কোন প্রকার কাজ বা কাগজপত্রাদি দেয় নাই। পরবর্তীতে ২৮ এপ্রিল তাকে দেশে পাঠায়। রেজাউল করিম বলেন তার ভাড়ায় চালিত মাইক্রো বিক্রী করে টাকা দেয় বিদেশ যাওয়ার জন্য। বর্তমানে কোন কাজ নাহওয়ায় সমগ্র টাকা ফেরত পাওয়ার দাবীতে কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
বাট্টাজোর
জিন্না বাজার ব্রাইট স্কুলের কার্যক্রম বন্ধের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ
মিছিল ও মানববন্ধন করেছে স্কুলের শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বিক্ষোভকারীরা উপজেলা নির্বাহী
অফিসারের অপসারণ দাবি করেন। তাদের দাবি ব্রাইড স্কুল বন্ধ হলে সকল কেজি
স্কুল বন্ধ করতে হবে। এমন বৈষম্য মানি না মানবো না বলে স্লোগান দেন তারা।





