Kurze Hose Erstellen
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুতুবদিয়া
কুতুবদিয়া উপজেলায় দিনব্যাপী শিক্ষা
কার্যক্রম ও পর্যটন স্পট পরিদর্শন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। রবিবার সকালে তিনি কুতুবদিয়ায় পৌঁছে দেশসেরা উত্তর লেমশীখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে তার সফর শুরু করেন। এ সময় তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী
ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরে তিনি কৈয়ারবিল
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
এবং পূর্বধুরুং
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
পরিদর্শন করেন। শ্রেণিকক্ষ ঘুরে তিনি
পাঠদানের পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শিক্ষার মান পর্যালোচনা করেন।
পরিদর্শন শেষে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন,
“প্রত্যন্ত অঞ্চল হিসেবে সার্বিকভাবে
স্কুলগুলোর পরিবেশ ভালো লেগেছে। সবকিছু সুন্দরভাবে সাজানো-গোছানো। তবে লেখাপড়ার
দিক দিয়ে তারা এখনো চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। হেডমাস্টারদের বলেছি—যেভাবে
খেলাধুলায় এগোচ্ছে, ঠিক সেভাবেই পড়াশোনাতেও এগোতে হবে।”
দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সমুদ্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বঙ্গোপসাগরে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে অবৈধভাবে মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি ইঞ্জিনচালিত বোটসহ ২৩ জন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। টহলকালে কুতুবদিয়া বহিঃনোঙর এলাকা থেকে প্রায় ৪৬ নটিক্যাল মাইল দূরে দুটি সন্দেহজনক কাঠের বোট শনাক্ত করে নৌবাহিনীর জাহাজ শহীদ মহিবুল্লাহ। বোটদ্বয়কে থামার সংকেত দেওয়া হলে তারা পালানোর চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে নৌবাহিনী জাহাজ ধাওয়া করে ‘এফবি আজিজুল হক’ ও ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামের দুটি বোট আটক করে। তল্লাশি চালিয়ে বোট দু’টি থেকে ১ হাজার ৭৫০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট ও ৩২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের ২৩ জন সদস্যকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা অধিক মুনাফার আশায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সিমেন্টগুলো মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল বলে স্বীকার করেছে। উদ্ধারকৃত মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক পাচার, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




