কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
Shorts Lumikha
কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে কুষ্টিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করছে এনসিপি, গণ অধিকার পরিষদ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।
১০ই মে (শনিবার) বিকেলে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মজমপুর গোলচত্বর গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়।
এ সময় ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ গণধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নূর। আরো উপস্থিত ছিলেন গণধিকার পরিষদ,নাগরিক কমিটি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীরা।
এ সময় বক্তারা বলেন, দল হিসেবে গণহত্যার দায় আওয়ামী লীগের। তাই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই। অবিলম্বে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। এ দলটিকে নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত জনতা ঘরে ফিরে যাবে না।প্রয়োজনে আরো একবার রক্ত দিব।
🌿 বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ 🌳
পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ মেলায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ফলজ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারীসহ হরেক রকমের গাছের সমাহার ঘটেছে
পরিবারের জন্য উপযোগী ফলজ গাছ, সৌন্দর্যবর্ধক গাছ কিংবা পরিবেশ রক্ষায় বনজ গাছ—সব ধরনের চারা সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে এই মেলায় একটি গাছ শুধু ছায়া বা ফলই দেয় না; এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
আসুন, অন্তত একটি গাছ লাগাই—সবুজে সাজাই আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ 🌱
বিজয় দিবসের র্যালির নামে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
রেজওয়ান উল্লাহঃ
বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি র্যালিকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা-১ (তালা–কলারোয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জনাব হাবিবুল ইসলাম হাবিবের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিজয় দিবস উদযাপনের নামে আয়োজিত ওই র্যালিতে দলীয় প্রতীক, স্লোগান ও নির্বাচনী প্রচারণামূলক কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়, যা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত আচরণবিধির পরিপন্থী বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে রাজনৈতিক মহল ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, জাতীয় দিবসের মতো পবিত্র আয়োজনকে রাজনৈতিক প্রচারণার কাজে ব্যবহার করা গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার ও নির্বাচনী নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।




