Corti Creare
উপকূলীয় জেলায় কোস্টগার্ডের নির্বাচনি নিরাপত্তা টহল জোরদার
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে মোংলা ও সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে কোস্টগার্ড। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে মোংলা ও সুন্দরবনের নদী তীরবর্তী এলাকায় তারা টহল দেয়।
এসব এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় দায়িত্ব পালনসহ ভোটকেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি, নিয়মিত টহলের মাধ্যমে একটি উৎসবমুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানায় সংস্থাটির সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।
তিনি জানান, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষায় নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে উপকূলবাসীর আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে গত ১৮ জানুয়ারি হতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৮ দিনব্যাপী দায়িত্বাধীন উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোটকেন্দ্রসমূহে দায়িত্ব পালন করবে কোস্টগার্ড।
এরই ধারাবাহিকতায় পশ্চিম জোনের আওতাধীন খুলনা-১ ও খুলনা-৬ আসনের দাকোপ ও কয়রা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৫৬টি ভোটকেন্দ্রে কোস্ট গার্ড সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছে। ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখা হবে।
নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যে কোনো ধরনের সহিংসতা দমনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের জানমালসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
মতলব উত্তরে বরোপিট দখল করতে এসে
বাড়ি ঘরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ
শহিদুল ইসলাম খোকন :
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরোপিট (ফিসারী) দখল করতে এসে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ৫ এপ্রিল দুপুরে উপজেলার গজরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের পশ্চিম পাড়া প্রধান বাড়ি সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি বরোপিট আছে, যা এলাকার ৩০ জন লোক মিলে একটি সমিতি ঘটনা করে, ২০ বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে লিজ নিয়ে মাছ চাষ করতো।
২০০৯ সালে ঐ লিজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে গনি প্রধান জোর করে সে একাই বরোপিট ভোগ করতো। কিন্তু ৫ আগষ্টেরপর আবার সবাই মিলে ঐ ৩০ পরিবার ভোগ করতে চাইলে গনি প্রধান তাতে রাজি হয়নি। এই নিয়ে গত ৭ মার্চ তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে স্থানীয়রা মিলে ঐ ৩০ পরিবারকে ভোগ করার সিদ্ধান্ত দেয়। গনি প্রধান স্থানীয়দের কথা অমান্য করে জোর করে আবার দখল, হামলা ও লুটপাট করে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আলী আরশাদের ছেলে আনিছ প্রধান বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল শনিবার দুপুরে গনি প্রধান ও মামুন মনিরের হুকুমে,গনির ছেলে ছেলে রাহাত, জাহিদ, উত্তর লুধুয়ার আকাশ ও জিহাদ সহ আরো অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন মিলে বরোপিটের সাইনবোর্ড ভেঙ্গে এবং আরশাদ আলীর ঘরে হামলা, ভাংচুর, মোবাইল, স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটপাট করে।
আলী আরশাদের স্ত্রী জয়নব বেগম, তার ছেলে আনিছ ও মাহফুজ বলেন, গণি প্রধানের নির্দেশে তার দুই ছেলে রাহাত, জাহিদ, গজরার মামুন মনির ও উত্তর লুধুয়া থেকে লোক ভাড়া করে এনে আমাদের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা করে। ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র ভেঙে ফেলে এবং ঘরে থাকা নগদ ২ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার ও মোবাইল নিয়ে যায়। ককটেল বোমা নিয়ে এসে আমাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং দুই বৃদ্ধ মহিলাকে মারধর করেছে।
এ বিষয়ে গনি প্রধান বলেন, হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। পূর্বে আমি লিজ এনেছিলাম। বর্তমানে লিজ দেওয়া বন্ধ থাকায় নতুন করে লিজ আনতে পাড়িনি।
এ ঘটনার পর মতলব উত্তর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সাংবাদিকদের সামলানোই কষ্ট : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা #media #press #mediacoverage #journalism #journalist



