Shorts Lumikha
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাড়রা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ মে) দুপুরে ভাড়রা ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের উদ্যোগে ইউনিয়নের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র ভাড়রা বাজারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনসাধারণ।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন, ভাড়রা ইউনিয়ন (পূর্ব) বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান এবং ভাড়রা ইউনিয়ন (পূর্ব) ছাত্রদলের সভাপতি মো. আজিম মিয়া।
বক্তারা বলেন, "ভাড়রা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একাংশ দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের জোর দাবি—এই চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।"
মানববন্ধনে বক্তারা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ভাড়রা ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
মায়ের মতো আর কেউ ভালোবাসতে পারে না।
https://ekhon.tv/category/education
এবারে রাঙ্গুনিয়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন, শ্রমিকের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকের কৃষক
দেশের শস্যভান্ডার খ্যাত রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিলসহ বিভিন্ন বিলে এবারে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে সবুজ ধান সোনালি বৰ্ণ হয়ে পাকতে শুরু করলে গুমাই বিলসহ বিভিন্ন বিলে ধান কাটা শুরু করেছে কৃষকরা। অনেক কৃষক ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলেছেন। তবে এবার শ্রমিকের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় বিপাকে পড়েছে কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গুমাইবিলসহ উপজেলায় ৩ হাজার ৯৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গত মৌসুমে রাঙ্গুনিয়ায় ধান ও চালের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি আবাদ হয়েছে। বাংলাদেশে প্রধান চলনবিলের পরে দ্বিতীয় বিল হিসেবে পরিচিত এ গুমাই বিল। জানা যায়, গুমাইবিলে প্রতি বোরো মৌসুমে দেড় হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয়। এ বছর প্রায় ২ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে।
এদিকে গুমাই বিলসহ অন্যান্য বিলে গিয়ে দেখা যায় এবারে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে কৃষকরা বিপাকে পড়েছে শ্রমিকের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে। অন্যান্য বারের তুলনায় এবারে শ্রমিক সংকট ও শ্রমিকের দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বৃদ্ধি হয়েছে।
তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় হাসিমুখে ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা।




