গরিবের কি বিচার নাই আমি সরকারের কাছে বিচার চাই: যুবদল নেতা সুজনের মা
Shorts News Create
This video is being processed, please come back in few minutes
ফেসবুকে মাত্র পাঁচ দিনের পরিচয়, তা থেকেই প্রেম। আর সেই প্রেমের টানেই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে ছুটে আসে নীরব (২০) নামে এক যুবক।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের গাড়াডোবা এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
আটক যুবক নীরব পার্শ্ববর্তী ধনবাড়ী উপজেলার বলিবদ্র ইউনিয়নের মুসুদ্দি উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গারোডোবা এলাকার দুবাই প্রবাসী রাহীমের স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে নীরবের পরিচয় হয়। মাত্র পাঁচ দিন আগের সেই পরিচয় দ্রুতই প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। প্রেমের টানে ওই যুবক বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে সরাসরি তার বাড়িতে চলে আসে এবং কৌশলে খালাতো ভাইয়ের পরিচয় দেয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাহীমের মা মারা যাওয়ার পর সে ছুটিতে এসে রাবেয়া আক্তার লাবণীকে বিয়ে করে। বিয়ের কয়েক মাস পর রাহীম আবারও দুবাই চলে যায়। বাড়িতে কেবল রাহীমের বৃদ্ধ বাবা ও তার স্ত্রী লাবণী থাকতেন।
অভিযোগ উঠেছে, লাবণী নিজেই নীরবকে তার শ্বশুরবাড়িতে আসতে বলেছিল। রাতের খাবার শেষে নীরবকে আলাদা একটি রুমে ঘুমাতে দেওয়া হয়। পরে শ্বশুর ঘুমিয়ে পড়লে লাবণী গভীর রাতে নীরবের ঘরে প্রবেশ করে। বাড়িতে অন্য কোনো সদস্য না থাকায় বিষয়টি টের পেয়ে যান প্রতিবেশীরা। তারা বাড়িটি ঘেরাও করে এবং একই ঘর থেকে ওই যুবক ও প্রবাসীর স্ত্রীকে হাতেনাতে আটক করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে রাতেই ওই বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে।
আটকের পর স্থানীয়রা বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করলে এক অদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আটককৃত যুবক নীরব ওই প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ে করতে সানন্দে রাজি থাকলেও, বেঁকে বসেন স্বয়ং স্ত্রী লাবণী। তিনি ওই যুবককে বিয়ে করতে কোনোভাবেই রাজি নন বলে সাফ জানিয়ে দেন। তার দাবি— মাত্র পাঁচ দিনের চ্যাটিংয়ের জেরে তিনি নিজের সংসার ভাঙতে রাজি নন।
স্থানীয় বাসিন্দা সৈকত, রিয়াদ ও সীমান্ত বলেন, ‘ফেসবুকে প্রেম যে এতটা অন্ধ হতে পারে, তা এই ঘটনা না দেখলে বিশ্বাস করা যেত না। ছেলেটি তো বিয়ের জন্য এক পায়ে খাড়া, কিন্তু মেয়েটি এখন আর তাকে বিয়ে করতে চাইছে না।’
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় এখনো তীব্র গুঞ্জন চলছে এবং স্থানীয় মাতব্বররা বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোঃ বাপ্পারাজ খান (পাংশা প্রতিনিধি)
সার সংকটে যখন রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের কৃষকেরা দিশেহারা, ঠিক তখনই ২৬ বস্তা ডি এ পি সার শৈলকুপা উপজেলায় পাচার করা কালে কৃষকের হাতে আটক।
(২৮ আগস্ট ) বৃহস্পতিবার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের কেয়াগ্রাম খুলুমবাড়ী খেয়াঘাট দিয়ে দুটি ভ্যান গাড়িতে ২৬ বস্তা ডি এ পি সার নিয়ে গড়াই নদীর খেয়া ঘাটপার হয়ে খুলুমবাড়ী বাজারের দিকে যাচ্ছে দেখে ঐ এলাকার কৃষকেরা স্থানীয় সাংবাদিক ও পাংশা উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ বাপ্পারাজ খান'কে খবর দেন।মোঃ বাপ্পারাজ খান তাৎক্ষণিক খেয়াঘাট এলাকায় গিয়ে ভ্যান চালকের কাছে জানতে চাইলে, তারা জানান এই সার বাগলী বাজার জাহিদ বিশ্বাস এর গোডাউন থেকে এনেছি। কোথায় নিচ্ছেন জানতে চাইলে ভ্যানচালক জানান, খুলুমবাড়ী বাজারে সাম কুন্ডুর ঘরে যাবে।
ঐ সাংবাদিক বিষয়টি জানতে তাৎক্ষণিক মুঠোফোনে সার এর ডিলার জাহিদ বিশ্বাস'কে ফোন দিলে তিনি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে নিজের ভুল স্বীকার করেন।
তখন ঐ সাংবাদিক তাৎক্ষণিক নিজের ফেসবুক আইডি থেকে সার বোঝাই ভ্যানগাড়ীসহ একটি পোষ্ট দিলে বিষয়টি পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নজরে আসে। পাংশা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সোলাইমান হোসেন ও মোঃ রফিকুল ইসলাম ও কসবামাজাইল ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা দ্রুত ঘটনা স্থলে পৌছে সার বোঝাই ভ্যানগাড়ী আটক করে বাগলী বাজারে জাহিদ বিশ্বাসের দোকানে নিয়ে আসেন।
সন্ধ্যায় পাংশা উপজেলা প্রেসক্লাবে আরেক সাংবাদিক রবিউল ইসলাম বাগলী বাজারে গিয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে, তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ঐ সাংবাদিক'কে জানান, আমরা বিষয়টি আপাতত ক্ষমার চোখে দেখতে চাই। আপনারা ফেসবুক আইডি থেকে স্টাটাস তুলে নিন। তার কথায় ঐ সাংবাদিক রেগে গেলে, তখন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সোলাইমান হোসেন কথার প্রঙ্গ পাল্টিয়ে বলেন, আমরা অবশ্যই ডিলার জাহিদ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করব।
এ বিষয়ে কসবামাজাইল ইউনিয়নের ভুক্তভোগী কৃষক তরুন জানান, জাহিদ বিশ্বাস দীর্ঘ ১০/১৫ বছর যাবৎ সারের ডিলারী করছেন। এখনো কিভাবে তার ডিলারী থাকে? মতিন, রতন, আরিফ, ও শিবলু আরো অন্যান্য ব্যক্তিরা জানান আমরা সার আনতে গেলে সার দেয় না। আরো বলেসার এখন নাই তা ছাড়া ও জাহিদ বিশ্বাস সার বিক্রি করে বস্তুা প্রতি ২০০থেকে ৩০০ টাকা বেশি দরে সার ডিলার জাহিদ বিশ্বাস নিজ ইউনিয়ন বাদ দিয়ে সার বিক্রি করেন সরিষা ইউনিয়নের বাগলী বাজারে। কসবামাজাইল ইউনিয়নের কৃষকেরা সার আনতে বাগলী বাজারে গেলে, ডিলার সার নেই বলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে খালি হাতে ফেরত দেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কৃষক জানান, জাহিদ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরেই সার নিয়ে নয় ছয় করে আসছেন। আমরা তার ডিলারী বাতিল করতে অবিলম্বে নতুন ডিলার চাই।




