ভিডিও আপলোড করুন পয়েন্ট জিতুন!
শর্টস সৃষ্টি
দেশের প্রধান চারটি অঞ্চল—চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং ঢাকা—বর্তমানে ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে (High Earthquake Risk) রয়েছে। সম্প্রতি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (Fire Service and Civil Defence Bangladesh) এই জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে, যা বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মতে, দেশের ভূ-ত্বকীয় গঠন, সক্রিয় ফল্ট লাইন (Fault Lines) এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ভূমিকম্পের দীর্ঘ ইতিহাস বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যেকোনো সময় ৭ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প (7+ Magnitude Earthquake) আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মাত্রার ভূমিকম্প ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাতে পারে।
https://ekhon.tv/lifestyle/692....17e2706389fa7b7908d6
মাত্র ১৮ বছর বয়স—জীবনের শুরু, স্বপ্ন গড়ার সময়। অথচ এ বয়সেই এক তরুণ এমন এক নির্মম সিদ্ধান্ত নিল, যা ভাবলেও হৃদয় কেঁপে ওঠে। আত্ম*হত্যা—এটা কোনো সমাধান নয়, বরং এক চরম পরিণতি। কিন্তু কী এমন কষ্ট ছিল তার জীবনে, যা তাকে এত বড় এক নিকৃষ্ট পথ বেছে নিতে বাধ্য করলো?
ছেলেটির বাবা নেই। পরিবারে ছিল শুধু মা ও এক বোন। সংসারের বড় সন্তান হিসেবে হয়তো দায়িত্বের ভারটাই বেশি অনুভব করতো। কে জানে—কোনো চাপ, অপমান, হতাশা বা অভাব তাকে ভিতর থেকে এমনভাবে ভেঙে দিয়েছে, যার বোঝা সে আর বহন করতে পারেনি।
সে নিজের জীবনটা শেষ করে দিলো ঠিকই—কিন্তু পেছনে রেখে গেলো এক অসহায় মা, যার বুকটা আজ ফেটে চৌচির, আর এক ছোট বোন, যার ভরসার একমাত্র মানুষটাকেও কেড়ে নিলো এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা। সে নিজের জীবন দিয়ে নিজের প্রিয়জনদেরও যেন জীবন্ত লাশ বানিয়ে গেলো।
জানি না, কী সেই অজানা কষ্ট, কিন্তু এটুকু জানি—কাউকে হারানোর ব্যথা সারা জীবনের জন্য রয়ে যায়। জীবন যতই কঠিন হোক, বেঁচে থাকার লড়াইটাই সবচেয়ে বড় সাহস। কেউ যদি আগে পাশে দাঁাতাতো, একটু বোঝাতো—হয়তো আজ গল্পটা অন্যরকম হতো।
চাঁদপুরের কচুয়া বিশ্বরোডে তৃপ্তি হোটেল ও কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় দৈনিক নতুন আশা পত্রিকার তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধান অতিথির ভাষণে কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান, কচুয়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার হেলাল চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ আপনারা আমার ও আমার উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে যেকোনো তথ্য নির্দেশ তুলে ধরবেন। তবে সংবাদ প্রকাশের আগে যাচাই-বাছাই করে দেখবেন সত্য ঘটনা তুলে ধরবেন। তিনি আরো বলেন, আমি কচুয়া আসার পর কচুয়া সার্বিক উন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এক বছরে কি কাজ করতে পারলাম আমরা জনসাধারণের সামনে তা তুলে ধরব। সোমবার ২৯ সেপ্টেম্বর নতুন আসা পত্রিকার তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এ বক্তব্য রাখেন। নতুন আসা পত্রিকা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আকাশ মিয়াজীর সভাপতিত্বে প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি প্রফেসর এমদাদুল্লাহর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সরকারি কমিশনার ভূমি পাব নাসির, কচুয়া থানা ওসি আজিজুল ইসলাম,শিক্ষা অফিসার সেলিনা বেগম,কচুয়া কন্ঠের সম্পাদক হাবিবুল্লাহ হাবিব, কচুয়া প্রেসক্লাব সভাপতি আতাউল করিম, সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম সিকদার, আবুল হোসেন প্রমুখ।




