ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকা: যেকোনো সময় আঘাত হানতে পারে ৭+ মাত্রার
Shorts Skapa
দেশের প্রধান চারটি অঞ্চল—চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং ঢাকা—বর্তমানে ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে (High Earthquake Risk) রয়েছে। সম্প্রতি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (Fire Service and Civil Defence Bangladesh) এই জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে, যা বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মতে, দেশের ভূ-ত্বকীয় গঠন, সক্রিয় ফল্ট লাইন (Fault Lines) এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ভূমিকম্পের দীর্ঘ ইতিহাস বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যেকোনো সময় ৭ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প (7+ Magnitude Earthquake) আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মাত্রার ভূমিকম্প ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাতে পারে।
https://ekhon.tv/lifestyle/692....17e2706389fa7b7908d6
মসজিদের দেয়ালে
চীনামাটি ও কাঁচের ভগ্নাংশ বসানো। এসব দিয়ে অঙ্কিত হয়েছে ফুলদানি, ফুলের ঝাড়, গোলাপ
ফুল, একটি বৃত্তে একটি ফুল, চাঁদতারাসহ নানা চিত্র। নির্মান কাজে ব্যবহার হয়েছে মার্বেল
পাথর। নানান কারুকার্যে সাজানো ওই মসজিদের রয়েছে ২৭টি মিনারসহ ৩টি বড় গম্বুজ।
নীলফামারীর সৈয়দপুর
শহরে মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৩ বছর আগে। অপরূপ সৌন্দর্য্যরে ওই মসজিদের নাম চিনি মসজিদ।
নির্মানকাজে চীনামাটির ব্যবহারে অনেকের কাছে চীনা মসজিদ নামে পরিচিত।
রেলের
শহর হিসেবে খ্যাত সৈয়দপুর শহরে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল ১৮৬৩ সালে। সেই সময়ে মসজিদের
নির্মাণকাজ শুরু করেন হাজি বাকের এবং হাজি মুকু নামের দুই ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। জনশ্রুতি
আছে এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মুষ্ঠির চাল সংগ্রহের মাধ্যমে মসজিদটির নির্মান
কাজ শুরু হয়। নির্মানকাজে অর্থের প্রয়োজন হলে এলাকাবাসী স্বেচ্ছায় অর্থের যোগান দিতে
শুরু করেন।



