ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!
Шорты создать
#banglanews #banglanewstoday #banglanewsong #banglanewsong2024 #banglanewslive #banglanewsong2023 #banglanewsong2020 #banglanewstv #banglanewshortfilm #banglanewsupdate #banglanewsadsong #banglanewschannel #banglanewshortfilm2021 #banglanewshortfilm2020 #banglanewsong2019 #banglanewsong2022 #banglanewsong2021 #banglanewsong2025 #banglanewsong2018 #rbanglanews #rbanglanewslive #banglanews24
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝালকাঠি:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঝালকাঠি-১ আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোট ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছেন। এদের মনোনয়ন বাতিলের পেছনে হলফনামায় তথ্য গোপন, ঋণ খেলাপী, স্বাক্ষর জালিয়াতি, এবং ১ শতাংশ ভোটারের তালিকায় গরমিলসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে, যা তাদের প্রার্থিতা বাতিলের দিকে এগিয়ে নিয়েছে।
ইসলামি আন্দোলন এর প্রার্থী ইব্রাহিম আল হাদীর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন। উল্লেখযোগ্য আলোচনায় রয়েছে ব্যারিস্টার মইন আলম ফিরোজীর বাতিল হওয়া মনোনয়ন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কারণে সৃষ্ট জটিলতা। এই তালিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম হল ব্যারিস্টার মইন আলম ফিরোজী। তাঁর মনোনয়ন বাতিলের প্রধান দুটি কারণ হল তাঁর ১০ লক্ষ টাকার আয়কর বকেয়া থাকায় এবং জমা দেওয়া ১ শতাংশ সমর্থক ভোটারের তালিকার ৮ নম্বর ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করায়। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি ঘরানা) মোস্তাফিজুর রহমান এবং গোলাম আজম সৈকতের মনোনয়নও বাতিল হয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে জনতা ব্যাংকের ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে এবং তাঁর সমর্থক তালিকায় মৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর পাওয়া গিয়েছে। অন্যদিকে, গোলাম আজম সৈকতের বিরুদ্ধে তিনটি মামলার মধ্যে দুটিতে সাজাপ্রাপ্ত হওয়া এবং ১ শতাংশ ভোটার তালিকার মধ্যে ৮ জনের তথ্যে গরমিল পাওয়া গেছে।
এছাড়া, নির্বাচনে অংশগ্রহণ-সংক্রান্ত স্বাক্ষর ও নথিপত্রে ত্রুটি পাওয়া গিয়েছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ডা. ফয়জুল হকের প্রস্তাবকারীর স্বাক্ষরের সঙ্গে ভোটার সার্ভারের তথ্যের কোনো মিল পাওয়া যায়নি, যা তাঁকে এই মনোনয়ন লড়াইয়ে থেকে পিছিয়ে দেয়। লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীর স্বাক্ষরের অভাব থাকায় সেটিও বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেনের হলফনামায় স্বাক্ষরটির অনুপস্থিতি এবং তাঁর এইচএসসি পাসের সনদপত্র দাখিলের ব্যর্থতা তাঁকে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
যাইহোক, কেউ কেউ এই সমস্যা সমাধান করে কিংবা যাচাই শেষে তাঁদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা পেয়েছেন। মাহমুদা মিতু, কামরুজ্জামান (জাতীয় পার্টি), রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি), মেজর সাব্বির (স্বতন্ত্র), জসিমউদদীন তালুকদার (জনতার দল), এবং সোহরাব হোসেন (জেএসডি) তাঁদের প্রার্থিতা বৈধ করতে সক্ষম হয়েছেন।
বর্তমানে জাতীয় পার্টি-জেপির প্রার্থী মহিবুল হোসেন ও রুবেলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। রুবেলের বিরুদ্ধে হলফনামায় মামলা গোপনের অভিযোগ উঠেছে যা দলীয় সিদ্ধান্ত ও আইনি যাচাইয়ের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ঘোষণায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, আপিলের সুযোগ রয়েছে, এবং ইতোমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম আজম সৈকত তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:
রবিবার (৬জুলাই) বিকেলে কুতুবদিয়া বড়ঘোপ সমুদ্র সৈকতে কুতুবদিয়া ও মহেশখালী উপজেলার মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে কুতুবদিয়া উপজেলা দল ২-১ গোলে জয়লাভ করেছে। খেলার শুরুতে মহেশখালী উপজেলা ১ -০ গোলে এগিয়ে থেকে পরে ২-১ গোলে হেরে যায়। মাঠে দর্শক ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। এদিন উভয় দল বৃষ্টিস্নাত এক মনোমুগ্ধকর খেলা উপহার দেয় দর্শকদের।
দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সমুদ্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বঙ্গোপসাগরে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে অবৈধভাবে মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি ইঞ্জিনচালিত বোটসহ ২৩ জন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। টহলকালে কুতুবদিয়া বহিঃনোঙর এলাকা থেকে প্রায় ৪৬ নটিক্যাল মাইল দূরে দুটি সন্দেহজনক কাঠের বোট শনাক্ত করে নৌবাহিনীর জাহাজ শহীদ মহিবুল্লাহ। বোটদ্বয়কে থামার সংকেত দেওয়া হলে তারা পালানোর চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে নৌবাহিনী জাহাজ ধাওয়া করে ‘এফবি আজিজুল হক’ ও ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামের দুটি বোট আটক করে। তল্লাশি চালিয়ে বোট দু’টি থেকে ১ হাজার ৭৫০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট ও ৩২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাকারবারি চক্রের ২৩ জন সদস্যকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা অধিক মুনাফার আশায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সিমেন্টগুলো মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল বলে স্বীকার করেছে। উদ্ধারকৃত মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক পাচার, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও অন্যান্য অপরাধ দমনে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




