বিমান বাংলাদেশের ৮২২ কোটি টাকা লাভ, বিপরীতে বকেয়া পাওনা ৭ হাজার কোটি | আই নিউজ বিডি

বিমান বাংলাদেশের ৮২২ কোটি টাকা লাভ, বিপরীতে বকেয়া পাওনা ৭ হাজার কোটি..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
বিমান বাংলাদেশের ৮২২ কোটি টাকা লাভ, বিপরীতে বকেয়া পাওনা ৭ হাজার কোটি..
বিমান বাংলাদেশের ৮২২ কোটি টাকা লাভ, বিপরীতে বকেয়া পাওনা ৭ হাজার কোটি..
ছবি: সংগৃহীত
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গত অর্থবছরে ৮২২ কোটি টাকা লাভের হিসাব দেখালেও সংস্থাটির ঘাড়েই চেপে আছে ৭ হাজার কোটি টাকার বকেয়া বিল। সম্প্রতি সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিমানের আয়-ব্যয় ও টিকিট অনিয়ম নিয়ে উঠেছে তীব্র প্রশ্ন।..

গত অর্থবছরে ৮২২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জনের হিসাব দেখিয়েছে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সিভিল এভিয়েশন ও পর্যটন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় উপস্থাপিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিমানের মোট আয় হয়েছে ১১,৭৫৩ কোটি টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১০,৯৩০.৬৬ কোটি টাকা তবে অডিট সাপেক্ষ এই মুনাফার তথ্যের বিপরীতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং পদ্মা অয়েল কোম্পানির কাছে বিমানের বকেয়া পাওনার পরিমাণ ৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে

বেবিচকের হিসাব অনুযায়ী, গত আগস্ট পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে অ্যারোনটিক্যাল ও নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জ এবং সারচার্জ বাবদ পাওনা রয়েছে প্রায় ৫,৮৪২.৯১ কোটি টাকা এছাড়া পদ্মা অয়েল কোম্পানির জেট ফুয়েল বাবদ বকেয়া পড়েছে ১,২৩২.৭১ কোটি টাকা, যা মিলিয়ে মোট বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭,০৭৫.৬২ কোটি টাকা বিমানকে এই পাওনা পরিশোধের জন্য বারবার তাগাদা দিচ্ছে বেবিচক এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, অনাদায়ী চার্জের হিসাব কীভাবে মেটানো হয়েছে তা স্পষ্ট নয় এবং স্বচ্ছতার জন্য বিমানের আর্থিক বিবরণী প্রকাশ্যে আনা প্রয়োজন

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিমানের আয়, পরিচালনা পদ্ধতি, উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তি ও অনিয়ম নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয় বোয়িং ও এয়ারবাসের কাছ থেকে ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তির আগে কোনো যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা এর জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মো. রশিদউজ্জামান মিল্লাত জানান, ভবিষ্যতে বহরে উড়োজাহাজের সংকট এড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এই অর্থায়ন সরাসরি সরকারি তহবিল থেকে না হয়ে বিমানের নিজস্ব আয় ও সহজ শর্তের ঋণের মাধ্যমে ২০৪০ সাল পর্যন্ত কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে তবে কমিটি পুরো ক্রয় প্রক্রিয়ার বিস্তারিত প্রতিবেদন তলব করেছে

অন্যদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিমানের অস্বাভাবিক আন্তর্জাতিক বিমান ভাড়া ও অনলাইন টিকিট ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় বিশেষ করে ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে অতিরিক্ত ভাড়া এবং অনলাইনে টিকিট না পাওয়া গেলেও উড্ডয়নের পর বিমানে আসন খালি থাকার পেছনে দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার তাগিদ দেওয়া হয় পাশাপাশি ঢাকা-গুয়াংঝু-ঢাকা রুটে চার্টার্ড কার্গো পরিচালনা ও রাজস্ব আদায়ে প্রায় ৭৩৬ কোটি টাকার অনিয়ম নিয়েও বিমানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে সংসদীয় কমিটি

Ingen kommentarer fundet


News Card Generator