কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উদ্যোগে মিলছে না সমাধান, লাগামহীন ডলারের দাম | আই নিউজ বিডি

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উদ্যোগে মিলছে না সমাধান, লাগামহীন ডলারের দাম..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উদ্যোগে মিলছে না সমাধান, লাগামহীন ডলারের দাম..
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উদ্যোগে মিলছে না সমাধান, লাগামহীন ডলারের দাম..
ছবি: সংগৃহীত
রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির পদক্ষেপ সত্ত্বেও দেশে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা কাটছে না। রেমিট্যান্স প্রবাহে ঘাটতি ও সরকারি আমদানির বিশাল চাপের মুখে ডলারের দাম কেন সামাল দেওয়া যাচ্ছে না?..

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অব্যাহত প্রচেষ্টার পরও টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের দাম আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে বাজারে ডলারের দর নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ডলার বিক্রির জন্য নিলাম আহ্বান করলেও কাঙ্ক্ষিত মূল্যের চেয়ে বেশি দর প্রস্তাব করায় শেষ পর্যন্ত কোনো ডলার বিক্রি করা হয়নি একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে রেমিট্যান্স হাউস থেকে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১২৪ টাকা ৭০ পয়সা দরে কেনা হয়েছে এবং আমদানি ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তিতে ডলারের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ১২৪ টাকা ৮০ পয়সায় গত আড়াই মাসের ব্যবধানে ডলারের দাম প্রায় ১ টাকা ৯০ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে

মূলত সরকারি খাতে জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন পণ্যের বড় অঙ্কের বৈদেশিক দায় পরিশোধের চাপের কারণেই বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যায় হয়েছে ২৫০ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ বিশেষ করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও পেট্রোবাংলার আমদানি বিল পরিশোধের ফলে ডলারের বাজারে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয় অন্যদিকে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি থাকলেও জ্বালানি আমদানির চাপ ডলারের উচ্চ চাহিদা বজায় রেখেছে

চাহিদার বিপরীতে ডলারের সরবরাহ কম থাকাকে এই সংকট স্থায়ী হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে গত সেপ্টেম্বরে দেশে ৮০০ কোটি ডলারের বেশি এলসি খোলা এবং ৬৫০ কোটি ডলারের বেশি এলসি নিষ্পত্তির বিপরীতে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল বিগত ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন (২৭৭ কোটি ডলার) অক্টোবরে তা সামান্য বেড়ে ২৮৭ কোটি ডলারে পৌঁছালেও তা পূর্ববর্তী মাসগুলোর গড়ে ৩০০ কোটি ডলারের চেয়ে কম বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার নিয়ন্ত্রণে আগের সপ্তাহে রিজার্ভ থেকে ১২ কোটি ২০ লাখ ডলার সরবরাহ করলেও ব্যাংকগুলোর প্রায় ৮০ কোটি ডলার চাহিদার তুলনায় তা ছিল অতি সামান্য

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় আশানুরূপ না হওয়া এবং সরকারি এলসির অতিরিক্ত দায় পরিশোধের কারণেই মূলত বাজারে এমন টানাপোড়েন চলছে তবে জুলাই-আগস্ট মেয়াদে ১৯ শতাংশ রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির কারণে চলতি হিসাবে ৫৯ কোটি ৯০ লাখ ডলারের উদ্বৃত্ত রয়েছে আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি জ্বালানি আমদানির বিল পরিশোধের চাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা, যা রেমিট্যান্স প্রবাহ না বাড়লে নভেম্বরের বাজার পরিস্থিতিকে আরও চ্যালেঞ্জিং করে তুলতে পারে

Aucun commentaire trouvé


News Card Generator