মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে এক গভীর সংকট তৈরি হয়েছে, যার ফলস্বরূপ শত শত কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত হুমকির মুখে পড়েছে। গত রবিবার রাজধানী ঢাকায় এই বিক্ষোভ সহিংস রূপ ধারণ করে, যেখানে আন্দোলনকারীরা রাস্তা অবরোধ, কারখানায় ভাঙচুর এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটায়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করে। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের মুখে শ্রমিকরা তাদের বর্তমান মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১৩,০০০ টাকা (১০৫ মার্কিন ডলার) থেকে ৩০,০০০ টাকায় (২৪২ মার্কিন ডলার) উন্নীত করার দাবি জানাচ্ছেন, যা বর্তমান হারের দ্বিগুণেরও বেশি। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে, কারণ পোশাক শিল্প বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় ১০ শতাংশ এবং বছরে প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে থাকে।
দেশের প্রায় ৪০ লাখ পোশাক শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠেছে। যদিও বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, শ্রমিকদের মজুরি বিশ্বের সর্বনিম্ন পর্যায়ের একটি রয়ে গেছে। এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ পরিস্থিতিতে শ্রমিক