ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে 'শিল্প এবং একাডেমিয়া সহযোগিতা' শীর্ষক এক দিনের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি কনফারেন্স কক্ষে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকদের নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ও রিসোর্স পারসন হিসেবে ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েট হয়ে বের হচ্ছেন। কিন্তু তারা দেশের শ্রমবাজারে কোথায় এবং কীভাবে যুক্ত হচ্ছেন, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। তাই সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইবির শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের তথ্য সংগ্রহ করে ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডাটাবেজ থাকলে আমরা বলতে পারব প্রতি বছর কর্মসংস্থান বাড়ছে কি না এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের চিত্র তুলে ধরতে পারব। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা। শুধু তাত্ত্বিক শিক্ষা নয়, বর্তমান কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষা দিতে হবে।’
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপাচার্য জানান, ‘এ লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গবেষণা, ইন্টার্নশিপ, চাকরির সুযোগ ও বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা পাবে।’
এ সময় তিনি সিভিল সার্ভিসে ইবির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। এরই অংশ হিসেবে লাইব্রেরিতে ‘জব কর্নার’ চালু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দুপুরের বিরতির পর অনুষ্ঠিত হয় প্রশ্নোত্তর ও মতামত পর্ব। বিকেল সাড়ে ৩টায় সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কর্মশালা শেষ হয়।