সাতক্ষীরা আদালতে তদন্ত কর্মকর্তাকে জুতো নিক্ষেপ, আসামির ৩ মাসের কারাদণ্ড.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

সাতক্ষীরা আদালতে তদন্ত কর্মকর্তাকে জুতো নিক্ষেপ, আসামির ৩ মাসের কারাদণ্ড..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক: avatar   
সাতক্ষীরা আদালতে তদন্ত কর্মকর্তাকে জুতো নিক্ষেপ, আসামির ৩ মাসের কারাদণ্ড..
সাতক্ষীরা আদালতে তদন্ত কর্মকর্তাকে জুতো নিক্ষেপ, আসামির ৩ মাসের কারাদণ্ড..
ছবি: সংগৃহীত
সাতক্ষীরায় আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আসামির কাঠগড়া থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে জুতো নিক্ষেপের ঘটনায় রেজাউল ইসলাম (৪৮) নামে এক আসামিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরায় আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আসামির কাঠগড়া থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে জুতো নিক্ষেপের ঘটনায় রেজাউল ইসলাম (৪৮) নামে এক আসামিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আদালত অবমাননার দায়ে সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস মণ্ডল এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল ইসলাম সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত বরকতুল্লার ছেলে।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হোসেন জানান, রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ, দেবহাটা ও সাতক্ষীরা সদর থানাসহ বিভিন্ন থানায় অন্তত ৩০টি মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘ নয় মাসেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুচপুকুর এলাকায় ২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় রেজাউল ইসলামকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য সোমবার জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। মামলাটি সদর থানার জিআর-৯৬/২৫ নম্বরের।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুনানি চলাকালে রেজাউল ইসলাম আসামির কাঠগড়ায় ছিলেন। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহেল আরিফ নিশাত বাদীর কাঠগড়া থেকে নামার পর রেজাউল তাঁকে লক্ষ্য করে জুতো নিক্ষেপ করেন। এ ঘটনায় আদালতের কার্যক্রমের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে আদালত অবমাননার দায়ে বিচারক তাঁকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ওই ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা করেন। মামলায় আওয়ামী লীগের নেতাসহ ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি ১৩৫ থেকে ১৪০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

আদালতকক্ষে বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে এমন ঘটনা বিচারপ্রক্রিয়ার শৃঙ্খলা ও আদালতের মর্যাদা রক্ষার বিষয়টিকে সামনে এনেছে। আদালতের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং বিচারিক পরিবেশ বজায় রাখতে আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা জরুরি।

Hiçbir yorum bulunamadı


News Card Generator