সাজেকে সড়ক অবরোধ, আটকা পড়েছেন প্রায় ৩ হাজার পর্যটক | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

সাজেকে সড়ক অবরোধ, আটকা পড়েছেন প্রায় ৩ হাজার পর্যটক

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
সাজেকে সড়ক অবরোধ, আটকা পড়েছেন প্রায় ৩ হাজার পর্যটক
সাজেকে সড়ক অবরোধ, আটকা পড়েছেন প্রায় ৩ হাজার পর্যটক
ছবি: সংগৃহীত
****

রাঙামাটির সাজেকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ পালন করছে স্থানীয় দুটি সংগঠন। সংগঠন দুটি হলো সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন। অবরোধের কারণে উজোবাজার এলাকায় সাজেক থেকে ফিরতে আসা প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে দীঘিনালা-সাজেক সড়কের মাছালং ও উজোবাজারসহ কয়েকটি এলাকায় অবরোধের সমর্থনে টায়ারে আগুন জ্বালান সমর্থকেরা। আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

তিন দফা দাবিতে অবরোধ

তিন দফা দাবিতে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন নামে স্থানীয় দুটি সংগঠন এ অবরোধের ডাক দিয়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, অবরোধকারীরা উজোবাজার এলাকায় অবস্থান করছেন। সেখানে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।

অবরোধকারীদের অভিযোগ, সাজেকের মাছালং এলাকার বিভিন্ন স্থানে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিচ্ছেন এবং হত্যাসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত রয়েছেন। এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগ অস্বীকার জেএসএসের

অন্যদিকে, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, এগুলো ইউপিডিএফের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার।

সজীব চাকমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাজেকে ইউপিডিএফের সদস্যরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও জনগণের ওপর শোষণ চালাচ্ছেন। পার্বত্য সমস্যার সমাধান, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় জনসংহতি সমিতি কাজ করছে। সাজেকসহ সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রামে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অধিকার রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছে পুলিশ

রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাঘাইছড়ি সার্কেল) মোজাম্মেল হক বলেন, পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাঁরা কাজ করছেন।

অবরোধের কারণে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং সড়কে স্বাভাবিক চলাচল ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। 

לא נמצאו הערות


News Card Generator