এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
তথ্য সংগ্রহের মূল নির্দেশনা ও প্রচারণার বার্তা
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়, ১২ অক্টোবর থেকে একযোগে দেশের সব থানা ও এলাকায় তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। এজন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড থানা তথ্যভাণ্ডারের তথ্য সংগ্রহ নির্দেশিকা, ২০২৬’ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রচারণার সুবিধার্থে নির্দিষ্ট কিছু দিকনির্দেশনা যুক্ত করা হয়েছে:
-
সঠিক তথ্য প্রদান: সরকারের প্রশিক্ষিত ও পরিচয়পত্রধারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে কোন পরিবারের সহায়তার প্রয়োজনীয়তা কতখানি। তাই প্রকৃত আর্থ-সামাজিক অবস্থা তুলে ধরতে সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
-
জুমার নামাজ ও প্রার্থনায় ঘোষণা: দেশের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার আগে ৩ মিনিটের এবং মন্দির, গির্জা ও বিহারে ২ মিনিটের বিশেষ ঘোষণা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
-
প্রতারণা ও লেনদেন থেকে সতর্কীকরণ: তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলে কেউ অর্থ বা ঘুষ দাবি করলে তাতে কান না দিতে বলা হয়েছে। তথ্য প্রদানের জন্য কোনো ধরনের টাকার প্রয়োজন নেই।
-
প্রতিবেশীদের সহায়তা: বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী প্রতিবেশীদের প্রতি খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে, যাতে তথ্য সংগ্রহের সময় কেউ তালিকা থেকে বাদ না পড়েন।
টাকা দাবি করলে অভিযোগ জানান ১০৯৮ নম্বরে
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আর্থিক লেনদেনের চেষ্টা বা টাকা দাবি করলে সরাসরি ‘১০৯৮’ হটলাইন নম্বরে কল করে অভিযোগ জানানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
চিঠির অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।