তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত ও জ্বালানি খাত শক্তিশালী করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত ও জ্বালানি খাত শক্তিশালী করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত ও জ্বালানি খাত শক্তিশালী করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির..
তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত ও জ্বালানি খাত শক্তিশালী করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির..
ছবি: সংগৃহীত
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উদীয়মান আধুনিক প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় তরুণ উদ্যোক্তাদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। একইসঙ্গে দেশের জ্বালানি..

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ-এর নেতৃত্বে ২১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসার ও ব্যাংক সুদের হার কমানোর ওপর জোর

সাক্ষাৎকালে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে ব্যাংক সুদের হার কমানোর ওপর বিশেষ জোর দেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলের স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের প্রসঙ্গ স্মরণ করে বলেন, সেই সময়ে ওই পদক্ষেপে রাজশাহী ও উত্তরাঞ্চলের মতো পিছিয়ে থাকা অঞ্চলে শিল্পায়ন এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছিল। নতুন কলকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার প্রক্রিয়াটি ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়ন ও অতীতের লুটপাটতন্ত্র

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য বারবার সংগ্রাম করেছে, লড়াই করেছে ও প্রাণ দিয়েছে। কিন্তু গণতন্ত্র অর্জিত হওয়ার পর তা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি, কারণ রাজনৈতিক দলগুলো প্রায়শই গণতন্ত্রের সুবিধার অপব্যবহার করে।

বিগত সময়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিগত সময়ে লুটপাটতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কারণে দেশ পিছিয়ে পড়েছিল এবং ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছিল। ব্যক্তিগত লোভ ও লালসার কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সামাজিক উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কাজে ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬-এর আমন্ত্রণ

সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে আয়োজিত আসন্ন ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি সানন্দে এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ও ডিসিসিআইর প্রত্যাশা

ডিসিসিআই প্রতিনিধিরা জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে আগামী দুই বছরের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একইসাথে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের বিভিন্ন দাবি, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবসহ ডিসিসিআই প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Комментариев нет


News Card Generator