সোমবার (৫ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলার মোল্লাকান্দি লাল মিয়া পাইলট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘নবীনবরণ ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি দৃঢ়তার সাথে আরও বলেন, “ইনশাআল্লাহ, কোনো অপশক্তি দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। জনগণের প্রতিবাদ ঝড়ে স্বার্থান্বেষী মহলের গভীর ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার অপচেষ্টা খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে।”
জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চ ও তারেক রহমানের ভাষণ প্রসঙ্গে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাতির গর্ব ও অহংকার উল্লেখ করে ড. মারুফ বলেন, তিনি জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দূরদর্শী ও দৃঢ়প্রত্যয়ী ভাষণ দিয়ে বিশ্বনেতাদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা পেয়েছেন। এই ভাষণের গুরুত্ব অপরিসীম। এতে জাতীয় স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা ও অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
তিনি বলেন, বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের মধ্যে একমাত্র তারেক রহমান জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন, যা জাতি হিসেবে আমাদের সম্মানিত করেছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর উদ্যোগ
অনুষ্ঠানে বিএনপির এই নেতা সরকারের ভবিষ্যৎ জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাগুলোকে সমন্বয় করে ভবিষ্যতে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছেন। এই কার্ডের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটে সরাসরি প্রণোদনা পৌঁছাবে এবং কৃষি ভর্তুকি ও চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজতর হবে।
শিক্ষা খাত ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
শিক্ষা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে ড. খন্দকার মারুফ বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে ও শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ঘটে। বিএনপি সরকার অতীতে সব পাবলিক পরীক্ষা নকলমুক্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছিল। অথচ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষাঙ্গণে সিট দখল, অরাজক পরিস্থিতি তৈরি এবং ঢালাওভাবে পাশের হার বাড়িয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে সমূলে ধ্বংস করেছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর থেকে ফ্যাসিস্ট দলটি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে এবং তারা নিজ দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যস্ত ছিল।