সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে বিমানবন্দরের ভেতরে ‘এয়ারপোর্ট ফায়ার ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ-২০২৬’ শীর্ষক মহড়া পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই হুঁশিয়ারি দেন।
যাত্রীদের জীবন ও নিরাপত্তার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা প্রসঙ্গে বিমানমন্ত্রী বলেন, “যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রস্তুতি ও দক্ষতার ওপর যাত্রীদের জীবন ও নিরাপত্তার বিষয়টি নির্ভর করে। তাই দায়িত্বে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না।”
তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে এবং দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও স্থবিরতা দূর করার চেষ্টা চলছে। বিগত দিনে যারা দলীয় বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাদের অনেকের কর্মদক্ষতার অভাব রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকারকে কিছুটা সময় দিতে হবে।
ল্যাগেজ কাটা ও স্বর্ণ চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থান
ল্যাগেজ কাটার অভিযোগ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে এই ধরনের অপরাধ অনেকাংশে কমে এসেছে। অতীতে যদি দু-একটি ঘটনা ঘটে থাকে, তবে সেগুলোরও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া বিমানবন্দর দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনায় কর্মচারীদের আটকের বিষয়টি সাংবাদিকদের নজরে আনলে মন্ত্রী এটিকে ‘সুসংবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “আগে বিমানবন্দর দিয়ে অনায়াসে স্বর্ণ পাচার হতো। কিন্তু এখন কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থার মাধ্যমেই পাচারকারীদের চিহ্নিত ও আটক করা হচ্ছে এবং তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।”