র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে, বিরোধীদের আপত্তি নিজস্ব প্রতিবেদক: র‍্যা.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে, বিরোধীদের আপত্তি নিজস্ব প্রতিবেদক: র‍্যা..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে, বিরোধীদের আপত্তি  নিজস্ব প্রতিবেদক: র‍্যা..
র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে, বিরোধীদের আপত্তি  নিজস্ব প্রতিবেদক: র‍্যা..
ছবি: সংগৃহীত

****

পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে চার কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

তবে র‍্যাব বিলুপ্ত হলেও প্রস্তাবিত এসআরবি কার্যত র‍্যাবের মতোই একটি বাহিনীতে পরিণত হবে—এমন অভিযোগ তুলে বিলটি উত্থাপনে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধী দল। এ নিয়ে সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়।

র‍্যাবের কাঠামোর ধারাবাহিকতা থাকবে এসআরবিতে

মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত খসড়া পর্যালোচনায় দেখা গেছে, র‍্যাব বিলুপ্ত হলেও এর প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতার বড় অংশই নতুন এসআরবিতে স্থানান্তরিত হবে।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, র‍্যাবের বর্তমান জনবল, ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব, সুযোগ-সুবিধা, তহবিল, নগদ অর্থ, ব্যাংক হিসাব, সম্পত্তি, নথি ও অন্যান্য সম্পদ এসআরবিতে হস্তান্তর করা হবে। র‍্যাবে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নতুন ইউনিটের সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন।

এ ছাড়া র‍্যাবের দায়দায়িত্ব, চুক্তি এবং পক্ষে বা বিপক্ষে চলমান মামলাগুলোও এসআরবির নামে পরিচালিত হবে।

এসআরবির ক্ষমতা কী থাকবে

প্রস্তাবিত বিলে বলা হয়েছে, পুলিশ বাহিনীর অধীনে এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট থাকবে। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ও অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে নির্ধারিত সংখ্যক কর্মকর্তা, সশস্ত্র সদস্য ও কর্মচারী পদায়ন বা প্রেষণে নিয়োগ দিয়ে ইউনিটটি গঠন করবে।

এসআরবির জন্য পৃথক পতাকা, প্রতীক ও স্বতন্ত্র পোশাক থাকবে। পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত অন্তত অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা ইউনিটটির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বিলে এসআরবিকে ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত, তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও জব্দের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিটটির নিজস্ব হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার বিধানও রয়েছে।

নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

বিরোধীদের আপত্তি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলটি সংসদে উত্থাপন করতে গেলে আপত্তি জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও ‘আয়নাঘর’-এর মতো ঘটনার কারণে র‍্যাব জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচনের আগে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল র‍্যাব বিলুপ্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

নাহিদ ইসলাম বলেন, র‍্যাব বিলুপ্ত করে একই ধরনের ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন করা হলে সেটি মূলত নতুন মোড়কে র‍্যাব পুনর্গঠনের মতো হবে। তিনি র‍্যাব বিলুপ্ত করার পাশাপাশি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের আগে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা করার আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘র‍্যাব’ নামে কোনো সংগঠন থাকবে না—তাই র‍্যাব বিলুপ্ত করা হচ্ছে। তবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রয়োজন।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, কোনো সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কি পুরো পুলিশ বাহিনী বিলুপ্ত করে দেওয়া হবে?

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত এসআরবিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিলটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে যাওয়ার পর সেখানে বিরোধী দলের সদস্যদেরও বিস্তারিত আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

র‍্যাব বিলুপ্তির প্রস্তাবে সমর্থন বিরোধীদলীয় নেতার

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, তাঁরা র‍্যাব বিলুপ্তির প্রস্তাব সমর্থন করেন। তবে নতুন একটি সংস্থা গঠনের বিষয়ে আরও চিন্তাভাবনা করে সবার সম্মতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

বিতর্কের একপর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিকে কয়েক দিন সময় দেওয়ার আহ্বান জানান। পরে বিলটি উত্থাপন করে চার কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

এপিবিএনের জন্যও নতুন আইন

এদিন ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করা হয়।

প্রস্তাবিত আইনে এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রচলিত আইন অনুযায়ী কোনো স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতাও থাকবে।

এপিবিএনের অধীনে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়নসহ অন্যান্য ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বিলে আরও বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া এপিবিএনের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে কোনো তথ্য বা দলিল প্রকাশ করতে পারবেন না।

এসআরবি ও এপিবিএন—দুই বিলই পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে, বিরোধীদের আপত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে চার কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

তবে র‍্যাব বিলুপ্ত হলেও প্রস্তাবিত এসআরবি কার্যত র‍্যাবের মতোই একটি বাহিনীতে পরিণত হবে—এমন অভিযোগ তুলে বিলটি উত্থাপনে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধী দল। এ নিয়ে সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়।

র‍্যাবের কাঠামোর ধারাবাহিকতা থাকবে এসআরবিতে

মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত খসড়া পর্যালোচনায় দেখা গেছে, র‍্যাব বিলুপ্ত হলেও এর প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতার বড় অংশই নতুন এসআরবিতে স্থানান্তরিত হবে।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, র‍্যাবের বর্তমান জনবল, ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব, সুযোগ-সুবিধা, তহবিল, নগদ অর্থ, ব্যাংক হিসাব, সম্পত্তি, নথি ও অন্যান্য সম্পদ এসআরবিতে হস্তান্তর করা হবে। র‍্যাবে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নতুন ইউনিটের সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন।

এ ছাড়া র‍্যাবের দায়দায়িত্ব, চুক্তি এবং পক্ষে বা বিপক্ষে চলমান মামলাগুলোও এসআরবির নামে পরিচালিত হবে।

এসআরবির ক্ষমতা কী থাকবে

প্রস্তাবিত বিলে বলা হয়েছে, পুলিশ বাহিনীর অধীনে এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট থাকবে। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ও অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে নির্ধারিত সংখ্যক কর্মকর্তা, সশস্ত্র সদস্য ও কর্মচারী পদায়ন বা প্রেষণে নিয়োগ দিয়ে ইউনিটটি গঠন করবে।

এসআরবির জন্য পৃথক পতাকা, প্রতীক ও স্বতন্ত্র পোশাক থাকবে। পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত অন্তত অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা ইউনিটটির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বিলে এসআরবিকে ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত, তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও জব্দের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিটটির নিজস্ব হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার বিধানও রয়েছে।

নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

বিরোধীদের আপত্তি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলটি সংসদে উত্থাপন করতে গেলে আপত্তি জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও ‘আয়নাঘর’-এর মতো ঘটনার কারণে র‍্যাব জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচনের আগে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল র‍্যাব বিলুপ্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

নাহিদ ইসলাম বলেন, র‍্যাব বিলুপ্ত করে একই ধরনের ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন করা হলে সেটি মূলত নতুন মোড়কে র‍্যাব পুনর্গঠনের মতো হবে। তিনি র‍্যাব বিলুপ্ত করার পাশাপাশি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের আগে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা করার আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘র‍্যাব’ নামে কোনো সংগঠন থাকবে না—তাই র‍্যাব বিলুপ্ত করা হচ্ছে। তবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রয়োজন।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, কোনো সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে কি পুরো পুলিশ বাহিনী বিলুপ্ত করে দেওয়া হবে?

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত এসআরবিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিলটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে যাওয়ার পর সেখানে বিরোধী দলের সদস্যদেরও বিস্তারিত আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

র‍্যাব বিলুপ্তির প্রস্তাবে সমর্থন বিরোধীদলীয় নেতার

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, তাঁরা র‍্যাব বিলুপ্তির প্রস্তাব সমর্থন করেন। তবে নতুন একটি সংস্থা গঠনের বিষয়ে আরও চিন্তাভাবনা করে সবার সম্মতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

বিতর্কের একপর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিকে কয়েক দিন সময় দেওয়ার আহ্বান জানান। পরে বিলটি উত্থাপন করে চার কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

এপিবিএনের জন্যও নতুন আইন

এদিন ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন করা হয়।

প্রস্তাবিত আইনে এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রচলিত আইন অনুযায়ী কোনো স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতাও থাকবে।

এপিবিএনের অধীনে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়নসহ অন্যান্য ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বিলে আরও বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া এপিবিএনের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে কোনো তথ্য বা দলিল প্রকাশ করতে পারবেন না।

এসআরবি ও এপিবিএন—দুই বিলই পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

Hiçbir yorum bulunamadı


News Card Generator