জ্বালানি সংকটের মধ্যে জামায়াতের লংমার্চ, তীব্র প্রতিক্রিয়া রাশেদ খাঁনের.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

জ্বালানি সংকটের মধ্যে জামায়াতের লংমার্চ, তীব্র প্রতিক্রিয়া রাশেদ খাঁনের..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
জ্বালানি সংকটের মধ্যে জামায়াতের লংমার্চ, তীব্র প্রতিক্রিয়া রাশেদ খাঁনের..
জ্বালানি সংকটের মধ্যে জামায়াতের লংমার্চ, তীব্র প্রতিক্রিয়া রাশেদ খাঁনের..
ছবি: সংগৃহীত

****

জ্বালানি সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, জ্বালানি সংকটের মধ্যেই প্রায় এক লাখ লিটার তেল খরচ করে জামায়াত এই কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে।

রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, সরকারের বয়স ছয় মাস পেরিয়ে সাত মাসে পড়ার আগেই জামায়াত ‘ক্ষমতার জন্য মরিয়া’ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে দলটির কর্মসূচির মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ প্রবেশ করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, “জ্বালানি সংকটের মধ্যে প্রায় ১ লাখ লিটার তেল খরচ করে লংমার্চ করবে জামায়াত! মাত্র ৬ মাস অতিক্রম করে ৭ মাসে পড়েছে সরকারের বয়স! এরমধ্যেই ক্ষমতার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানচিত্র বিরোধী (এনসিপির ভাষায়) এই দলটি।”

তিনি আরও দাবি করেন, জামায়াত সরাসরি ক্ষমতায় যেতে না পারলেও রাষ্ট্রে অস্থিরতা ও অশান্তি সৃষ্টি করার সক্ষমতা রাখে। তার ভাষায়, “তারা কখনো ক্ষমতায় যেতে না পারলেও রাষ্ট্রে অস্থিরতা ও অশান্তি সৃষ্টি করতে পারবে।”

আওয়ামী লীগকে ঘিরে রাশেদ খাঁনের শঙ্কা

রাশেদ খাঁনের পোস্টে জামায়াতের কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়েও অভিযোগ তোলা হয়েছে। জামায়াতের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, আলোচনার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত একসঙ্গে মাঠে নামতে পারে।

তিনি লিখেছেন, “যদিও জামায়াত এমপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় যে, আলোচনার ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে আওয়ামীলীগ-জামায়াত একতাবদ্ধ হয়ে মাঠে নামবে। আর আওয়ামীলীগের নামার পথ তৈরি করে দিতেই এই লং মার্চের ঘোষণা।”

এর পরিপ্রেক্ষিতে রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, জামায়াতের লংমার্চে আওয়ামী লীগ অংশ নিলে দলটির আপত্তি নাও থাকতে পারে। তিনি বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে দুই দলের সম্ভাব্য সমঝোতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

‘ক্ষমতার স্বার্থে একজোট হওয়ার প্রস্তুতি’

পোস্টে রাশেদ খাঁন জামায়াত ও আওয়ামী লীগকে নিয়ে আরও কঠোর মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, “৭১ এর গণহত্যাকারী দল ও ২৪ এর গণহত্যাকারী দল ক্ষমতার স্বার্থে একতাবদ্ধ হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে!”

তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংকটের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে মুখ্য নয়; বরং ক্ষমতায় যাওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। জ্বালানি সংকটের মধ্যে লংমার্চ আয়োজনের সমালোচনা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন—“ক্ষমতা না জনতা!”

তবে রাশেদ খাঁনের এসব বক্তব্য ও অভিযোগ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে দেওয়া মন্তব্যের ভিত্তিতে। জামায়াতে ইসলামী বা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে যুক্ত করা হবে।

Tidak ada komentar yang ditemukan


News Card Generator