সেতাবগঞ্জ পৌরসভাধীন ৪ নং ওয়ার্ড মুর্শিদাহাট এলাকার একাধিক মামলার আসামি আশা আক্তারকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে লোকেশনে পাওয়া গেলেও পুলিশের ব্যর্থত.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

সেতাবগঞ্জ পৌরসভাধীন ৪ নং ওয়ার্ড মুর্শিদাহাট এলাকার একাধিক মামলার আসামি আশা আক্তারকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে লোকেশনে পাওয়া গেলেও পুলিশের ব্যর্থত..

MD ABDUL MAZID KHAN avatar   
MD ABDUL MAZID KHAN
সেতাবগঞ্জ পৌরসভাধীন ৪ নং ওয়ার্ড মুর্শিদাহাট এলাকার একাধিক মামলার আসামি আশা আক্তারকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে লোকেশনে পাওয়া গেলেও পুলিশের ব্যর্থত..
সেতাবগঞ্জ পৌরসভাধীন ৪ নং ওয়ার্ড মুর্শিদাহাট এলাকার একাধিক মামলার আসামি আশা আক্তারকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে লোকেশনে পাওয়া গেলেও পুলিশের ব্যর্থত..
ছবি: সংগৃহীত
****

 

খাঁন মোঃ আঃ মজিদ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি 

 

দিনাজপুর সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ধনতলা এলাকার মাস্টারপাড়া রোডে ওয়ারেন্টভুক্ত একাধিক মামলার আসামি আশা আক্তারকে আশ্রয় ও পালাতে সহযোগিতা করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিযোগকারী পক্ষ।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন ২০২৬ তারিখে রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে ভুক্তভোগী ও মামলার বাদী মো. আব্দুল মজিদ খান দিনাজপুর কাহারোল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান-এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আশা আক্তার সেতাবগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করছেন বলে দাবি করেন। অভিযোগকারী জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তার কাছ থেকে একটি মোবাইল নম্বর নিয়ে অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করেন এবং পরে ধনতলা মাস্টারপাড়া এলাকায় লোকেশন পাওয়া গেছে বলে জানান। একই সঙ্গে বিষয়টি বোচাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ও সেকেন্ড অফিসার মো. মবিউর রহমান-কে অবহিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগকারীকে জানানো হয়। ব্যর্থতার পরিচয় কেন দিলেন আশা আক্তার আবারো টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার সংলগ্ন ঘোড়া ইউনিয়ন মইশালপুরে অবস্থান করছেন, লোকেশন পাওয়ার পরেও কিভাবে আসামি পালিয়ে যায় এ প্রশ্ন রয়ে গেল।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সেতাবগঞ্জের ধনতলা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাসকারী সিগারেট কোম্পানির এসার মো. সাগর এবং তার স্ত্রী জান্নাতুল বেগম দীর্ঘদিন ধরে আশা আক্তারকে আশ্রয় দিয়ে আসছেন। ২০২৫ সাল এপ্রিল মাসের ২০ তারিখে আনুমানিক বিকেল ৪টার দিকে দুইতালা হইতে মাল জিনিস সহ অজ্ঞাতনামা এক যুবতী নারী চলে যাওয়ার সময় নিচ তালার ভাড়াটিয়া আঃ মজিদ খান তাকে দেখে জিজ্ঞাসা করলে তিনি উত্তরে বলেন ১০-১৫ দিন আমি এখানে ছিলাম এখন চলে যাচ্ছি, ওই অজ্ঞাতনামা নারীর মুখ থেকে জানা গেল তাকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করাতেন এসার মোঃ সাগর ও মোঃ শফিকুল ইসলাম, যার কারণে নিচ তালার ভাড়াটিয়া আঃ মজিদ খান ও তার স্ত্রী আশা আক্তার ছেলে মেয়ে সহ ওই বাড়ি হতে নামিয়ে দেন এসার মোঃ সাগর এবং মোঃ শফিকুল শুধু তাদের অপরাধ ঢাকার জন্য। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে অভিযোগকারী দাবি করেন, অতীতে এ বিষয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। একই সঙ্গে একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য বাড়ির মালিক এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিবিরকর্মী মো. শফিকুল ইসলাম-এর নামও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, শফিকুল ইসলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাগরকে সহযোগিতা করে থাকেন।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ধনতলা এলাকার তিনমাথা মোড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন-এর বাড়িতে আশা আক্তার ভাড়া থাকাকালীন সেখানে মো. নীলু শাহ ও তার স্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে অভিযোগকারী আব্দুল মজিদ খান-এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। যার কারণে গত ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নীলু শাহের বাড়ি থেকে আশা আক্তারকে পালাতে সহযোগিতা করার অভিযোগও করা হয়েছে মো. সাগর ও জান্নাতুল বেগমের বিরুদ্ধে।

 

স্থানীয়দের দাবি, পরবর্তীতেও বিভিন্ন সময় আশা আক্তারকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশি তৎপরতার খবর পেয়ে তিনি পুনরায় স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল, সেতাবগঞ্জ পৌরবাসী এবং অভিযোগকারী পক্ষ ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

 

 

Nenhum comentário encontrado


News Card Generator