ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, প্রেমিকসহ… | আই নিউজ বিডি

ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩..

ফরিদপুর ব্যুরো avatar   
ফরিদপুর ব্যুরো
ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩..
ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩..
ছবি: সংগৃহীত
মো. ইমরান মোল্যা, ফরিদপুর:

 ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে আলফাডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত লিটন মোল্যাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আলফাডাঙ্গা উপজেলার টিকরপাড়া গ্রামের কুটি মিয়ার ছেলে লিটন মোল্যা (৩৩), কটুরাকান্দি গ্রামের বিপুল মোল্যার ছেলে সবুজ মোল্যা (২৩) এবং একই গ্রামের দুলাল শরীফের ছেলে জনাব আলী শরীফ (২০)। পুলিশ জানায়, তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী উপজেলার বনচাকি গ্রামের ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে অভিযুক্ত লিটন মোল্যার গত দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে বিয়ের কথা বলে লিটন ও তার সহযোগী সবুজ মোল্যা মোটরসাইকেলে করে তাকে আলফাডাঙ্গার কটুরাকান্দি গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর অভিযুক্তরা তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয় এবং এতে রাজি না হলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

 

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বুধবার রাত ১০টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত লিটন মোল্যা, সবুজ মোল্যা ও জনাব আলী শরীফ পর্যায়ক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। পরে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলে তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে কিছুটা সুস্থ হয়ে স্বজনদের সহায়তায় বৃহস্পতিবার আলফাডাঙ্গা থানায় হাজির হয়ে ভুক্তভোগী মামলা দায়ের করেন।

 

আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

 

এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

نظری یافت نشد


News Card Generator