নরসিংদীর পলাশ উপজেলার রাজনীতিতে এক সাহসী ও আপসহীন নেতৃত্বের নাম বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া মিল্টন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের রাজনৈতিক পথচলায় নানা আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-হামলার মধ্য দিয়েও রাজপথ ছাড়েননি তিনি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে পলাশ উপজেলা বিএনপিকে শক্ত অবস্থানে দাঁড় করাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এই ত্যাগী নেতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির কঠিন সময়েও রাজপথে সক্রিয় ছিলেন বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া মিল্টন। ২০১৮ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তিনি ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। সেই হামলায় গুরুতর আহত হলেও পিছু হটেননি; বরং শারীরিক ক্ষতকে শক্তিতে রূপান্তর করে দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে থাকেন।
রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি পলাশ উপজেলার তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে আসছেন। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাঁকে স্থানীয় বিএনপি রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখে পরিণত করেছে বলে নেতাকর্মীরা মনে করেন।
পলাশের সাধারণ নেতাকর্মীদের মতে, মিল্টন শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং সংকট-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক। দুঃসময়ে দলের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি যে ত্যাগ ও নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে আস্থা ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের ধারণা, তৃণমূলভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে ভবিষ্যৎ রাজনীতিতেও বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া মিল্টনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাঁর নেতৃত্বে পলাশে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলেও অনেকেই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।