জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জে, মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপি দপ্তর সম্পাদক আবুল সাঈদ সুজন এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন
তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি নিম্নরুপ
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
প্রিয় বাবা
দুঃখিত আপনার অপমানের বদলা আমি নিতে পারলাম না
আমি সক্রিয় রাজনীতি করার কারনে আওয়ামীলীগের দোসররা আমার বাবার উপর হাত উঠিয়েছে,হামলা মামলা নির্যাতন অত্যাচার ,এমন কি গুম করার প্লান ও করছিল তার পরেও বাবা তোমার মুখ থেকে শুনতে পারেনি আমি কোথায় আছি,শেষ পযন্ত পুলিশ দিয়ে এরেস্ট করে তোমাকে জেলে দিলো,,,হাসিনার পতন হলো,,,মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক পদ পাইলাম,,কলিজার বন্ধু মোশারফ আর আমাকে আমাদের অজান্তে এলাকা বাসী প্রায় এক হাজার লোক দিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছে,,বক্তব্যের মধ্যে এলাকা বাসীকে আমি বলেছিলাম,ন্যায় শালিস করবো,আমি নিজে ঘুস খাইনা আমি কাউকে ঘুস খাইতে দিবোনা,অসহায় মানুষের পাশে থাকবো,গরীবের হক কোন নেতাকে খেতে দিবোনা,এলাকার উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা করবো,,
সৎ পথে থাকি বলে আমার উপর নানান ভাবে ষড়যন্ত্র করেছে অসৎ ব্যাক্তিরা,,যড়যন্ত্র করেও ন্যায় থেকে সরাতে পারে নাই, ষড়যন্ত্রের কৌশল পরিবর্তন করে বিএনপির নাশকতা মামলার আসামী, উপজেলা কৃষকলীগের সম্পাদক পদ ধারী নেতাকে দিয়ে গত শুক্রবার জুম্মা নামাজের পর মসজিদ এর সামনে আমার সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলার চেষ্টা করে পরে মিথ্যা বাদীর উপর মুসুল্লিরা চড়াও হয়,, সেখানে ও ব্যর্থ হয়ে আমার বাবাকে অপমান করার চেষ্টা করে,তখন নামাজের সকল মুসল্লীরা ক্ষিপ্ত হয়,মিথ্যা বাদীরা কৌশলে ভয়ে পালিয়ে চলে যায়"
এই বৃদ্ধ বয়সে অপমান করা হলো, আমার বাবার হার্টের ওপেন হার্ট সার্জারি করা.............আপসোস,, বিএনপির অফিসে যে আওয়মীলীগের দোসর পদ ধারী নেতা তালা দিয়েছিল সেই লোক আমার বাবাকে অপমান করার চেষ্টা করে,,, অতিতের কথা মনে করুন একবার,, যে ভাবে
সন্ত্রাসী কায়দায় আমার উপর যে ঘটনা গুলো ঘটাইসেন।...আমাকে মেরে ফেলার হুমকি ভয় দেখিয়ে লাভ নাই,,আমি সত্যের পথে আছি, আমার শেষ নিশ্বাস থাকা পর্যন্ত লড়বো ইনশাআল্লাহ,।।জন্মেছি যেহেতু একদিন মরতেই হবে। আল্লাহ সকলকে হেদায়েত দান করুক।