কুমিল্লায় যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

কুমিল্লায় যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ..

এইচ,এম,আল আমিন ভূঁইয়া avatar   
এইচ,এম,আল আমিন ভূঁইয়া
কুমিল্লায় যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ..
কুমিল্লায় যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ..
ছবি: সংগৃহীত
তিতাসের দুই বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির পর প্রযুক্তিনির্ভর অভিযানে সাফল্য; লুট হওয়া গয়না, টাকা ও ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ..

কুমিল্লা | ১ মার্চ ২০২৬
বিস্তারিত প্রতিবেদন:
কুমিল্লার তিতাস ও দাউদকান্দি এলাকায় সংঘটিত দুইটি আলোচিত ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা একটি ডাকাত চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তিতাস ও দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১টা থেকে ৩টার মধ্যে তিতাস থানার উজিরাকান্দি ও কাকিয়াখালী গ্রামের দুটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। উজিরাকান্দি গ্রামের একটি বাড়িতে গেইটের তালা ভেঙে এবং কাকিয়াখালী গ্রামের আরেকটি বাড়িতে দরজা ভেঙে ডাকাত দল প্রবেশ করে। পরে ঘরের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তিতাস থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ও সহকারী পুলিশ সুপার (দেবিদ্বার সার্কেল)-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), তিতাস থানা ও দাউদকান্দি মডেল থানার সমন্বয়ে গঠিত টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন—জীবন মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, আনোয়ার হোসেন, নাসির, আবু তাহের, জামাল ওরফে কুদ্দুস, ওবাইদুল, হানিফ, সৌরভ হোসেন, জহির, মকবুল হোসেন ও কামাল। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় একাধিক ডাকাতি ও অস্ত্র মামলা রয়েছে।
অভিযানে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, রূপার নূপুর ও ব্রেসলেটসহ বিভিন্ন গয়না, নগদ ৩৭ হাজার ২৪৭ টাকা এবং ১৩টি মোবাইল ফোন। এছাড়া একটি ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, টর্চলাইট, ব্লেন্ডার মেশিন জব্দ করা হয়েছে। ডাকাতিতে ব্যবহৃত দুটি সিএনজি, বড় কাটার, লোহার শাবল, রড, ছুরি ও মুখোশও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা তিতাস ও দাউদকান্দির এই দুই ঘটনার পাশাপাশি চান্দিনা, ব্রাহ্মণপাড়া ও দাউদকান্দি এলাকার আরও কয়েকটি ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় এই চক্রটি সক্রিয় ছিল বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারদের আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Nenhum comentário encontrado


News Card Generator