“জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জয়পুরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসন ও জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার, জয়পুরহাটের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সকালেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। র্যালিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পাঠক, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। র্যালিতে বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান প্রদর্শন করা হয়।
র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাটের জেলা জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া ।
তিনি বলেন,
“বই মানুষের চিন্তা-চেতনা শাণিত করে। একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে গ্রন্থাগারের বিকল্প নেই। ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তির পাশাপাশি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অতিথি) জনাব তুহিন।
তিনি বলেন,
“গ্রন্থাগার শুধু বই পড়ার জায়গা নয়, এটি একটি আলোকিত সমাজ গঠনের কেন্দ্র। তরুণ প্রজন্মকে অপরাধ ও মাদক থেকে দূরে রাখতে বই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।”
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব মো. নুরুল ইসলাম।
তিনি বলেন,
“পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে হলে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। গ্রন্থাগার দিবস সেই সচেতনতা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।”
আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পাঠক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
জয়পুরহাটে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, র্যালি ও পুরস্কার বিতরণ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
জয়পুরহাটে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, র্যালি ও পুরস্কার বিতরণ..
ছবি: সংগৃহীত
Không có bình luận nào được tìm thấy