পুলিশ তাই কোন কিছুর তোয়াক্কা করেননা
বার বার শালিশ হয়, কোর্ডের রায় হয় বিপক্ষে গেলে তিনি মানেন না। বার বার পুলিশ পাঠিয়ে হয়রানি করা হয় নিরীহ পরিবারকে। বাধ্য হয়ে পিতৃক সম্পত্তি ফেরত পেতে দ্বারে দ্বারে হাটছেন শরীফ হোসেনে।
উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের শশাইরচর গ্রামের শশাইরচর মৌজায় দুই পক্ষের পিতৃক বিবাধমান সম্পত্তি নিয়ে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা করেও পুলিশের এস বি শাখায় কর্মরত সোহেল হোসেনের বাঁধার কারনে সম্ভব হচ্ছেনা বলে গ্রামের একাধিক ব্যাক্তি জানিয়েছেন।
শরীফ হোসনে (৪০) বলেন, এ সম্পত্তি আমাদের পিতৃক বহুদিন ধরে আমরা ভোগদখলে আছি। এখানে আমাদের ২ দাদার সম্পত্তি তাদের সমান সমান অংশ। তারা কোর্ডে মামলা দিলে আমরা রায় পাই। তারা সেটাও মানেনা। মূলত সবাই আমাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে চাইলে সোহেল পুলিশ বাঁধা হয়ে দাড়ায়। এই পর্যন্ত ৭-৮ বার বসা হয়েছে।
মো:সালেহ আহমেদ বলেন, হিংস্যা অনুযায়ী তারা (শরীফ হোসেন) সম্পত্তি পায়। তারা চাচাতো জেটতো ভাই শালিশের সির্ধান্ত অনুযায়ী অপর পক্ষের কাছে সম্পত্তি বেশী আছে, আবার এদের কম ।
বিল্লাল হোসেন বলেন,
এ জায়গাটার মূল মানিক এরা। এই যায়গাটা নিয়ে যা কিছু হয়, একমাত্র সরকারি চাকরি করে পুলিশ আমরা তার দ্বারা যেখানে শান্তি পাবো, সেখানে বরং অশান্তি হচ্ছে।
মুখলেছুর রহমান (৩৫) বলেন,তারা আমাদের বাড়ির মানুষ, শরীফের বাবা মারা যাওয়ার পর তারা নিজেদের সম্পত্তি দখল নিতে চাইলে ইদ্রিস গংরা বাঁধা দেয়। এটা নিয়ে একাধিকবার বসা হয়েছিল, তারাই (অপর পক্ষ) শরীফদের সম্পত্তি বুঝিয়েও দিয়েছিল। কাগজপত্র দেখে বুঝতে পারলাম তারাই মালিক। সোহেল (পুলিশের এসবি শাখায় কর্মরত) ভাই এটা মানেন না।
এদিকে অভিযুক্ত ওহিদ হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম বলেন, তারা আমাদের বাবার চাচাতো ভাই। তারা এখানে সম্পত্তি পাবে বলে দাবী করে। মামলাতো তাদের পক্ষে গিয়েছে আপানারা জোর করতেছেন কেন জানতে চাইলে বলেন, সে মামলায় আমাদের তথ্য ভূল ছিল তাই উঠিয়ে পেলছি। এক ধরনের দুষ্ট লোকের কারনে সমাধান হচ্ছেনা।
আ: লতিফ বলেন, আমরা তাদের সাথে মিলেমিছে ছিলাম কখনও ঝগড়া হয়নি। এখন তারা দাবী করতেছে এ জায়গাটা তাদের। আমাদের আরো কিছু জায়গা মাপা বাঁধে রয়েছে।
পুলিশের এসবি শাখায় ঢাকায় কর্মরত সোহেল বলেন, দীর্ঘবছর ধরে আমরা জায়গাটা ভোগ দখল করে আছি, এটা নিয়ে আমার বাবার চাচাতো ভাইরা পাবে বলে দাবী করে। এখানে ৫বার বৈঠক হয়েছে একটা নিদিষ্ট্য দলিল আছে যেটা আগে পাওয়া যায়নি, বর্তমানে দলিল পাওয়াগেছে। তাদেরকে দলিল দেওয়া হয়েছে, তাদেরকে বলা হয়েছে তোমরা এখানে সম্পত্তি পাবেনা। তারা জোর জবরদস্তিমূলকভাবে দখলে যেতে চায়। তাদেরকে বলা হয়েছে আদালতে যেতে, আদালত যদি বলে আমি ছেড়ে দিবো।
আদালত তাদের পক্ষে রায় দিয়েছে আপনারা মানেননা কেন জানতে চাইলে সোহেল বলেন, ওই মামলাটা আমরা উঠিয়ে ফেলছি তথ্যে ভুল ছিল।
অত্র এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মো:বাচ্ছু বলেন,
আমি একাধিকবার তাদের শালিশে গেছি । এটা তাদের পিতৃক সম্পত্তি । যে পুলিশে চাকরি করে তারা বাপ-চাচারা ৪জন, তাদের কথা হলো শরীফে এখানে জায়গা পাইবো। তাদের মধ্যে যে পুলিশে চাকরি করে এ মামলা মোকদ্দমা করে হয়রানি করতেছে। এটা বাস্তব কথা। ২-৩ বার মাপ জরিপ করার জন্য শালিশ বসছে শেষে যে পুলিশ কাগজপত্র যোগাড় করবে বলে সময় চেয়েছিল, সে সময় এ মাসের ১০তারিখ শেষ হয়ে গেছে।
ফরিদগঞ্জ থানান এ এস আই জুমায়েত হোসেন জুয়েল বলেন, তাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এক পক্ষ দখলে গেলে অপর পক্ষ বাঁধা দেয়। বর্তমানে সেখানে ১৪৫ দ্বারা বহাল রয়েছে।