বিএনপিপন্থিদের সমর্থনে জুলাই বিরোধিতাকারী অঞ্জন হচ্ছেন ইবির কর্মচারী… | আই নিউজ বিডি

বিএনপিপন্থিদের সমর্থনে জুলাই বিরোধিতাকারী অঞ্জন হচ্ছেন ইবির কর্মচারী পরিষদের সভাপতি..

Mahfujul Haque Piyas avatar   
Mahfujul Haque Piyas
বিএনপিপন্থিদের সমর্থনে জুলাই বিরোধিতাকারী অঞ্জন হচ্ছেন ইবির কর্মচারী পরিষদের সভাপতি..
বিএনপিপন্থিদের সমর্থনে জুলাই বিরোধিতাকারী অঞ্জন হচ্ছেন ইবির কর্মচারী পরিষদের সভাপতি..
ছবি: সংগৃহীত
****

ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সহায়ক কর্মচারী পরিষদের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হচ্ছেন জুলাই আন্দোলনের বিরোধী ভূমিকায় থাকা আইসিটি সেলের সহায়ক কম্পিউটার অপারেটর অঞ্জন-উর-রহমান। বিএনপিপন্থি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষকদের একটি অংশ তার প্রতি মৌন সমর্থন দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

জানা যায়, গত বছরের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ৩ আগস্ট তৎকালীন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানকে সভাপতি করে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়ার অফিস কক্ষে একটি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ, সহকারী প্রক্টর আমজাদ হোসেন, মিঠুন বৈরাগী, ইয়ামিন মাসুম, ছাত্র উপদেষ্টা ড. বাকি বিল্লাহ বিকুল, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিয়া রাশিদুজ্জামান, আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ, অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার, অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনসহ ২০–২৫ জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

ওই সভায় আইসিটি সেলের সহায়ক কর্মচারী ইলিয়াস জোদ্দার, অঞ্জন-উর-রহমান, ইব্রাহীম হোসেন সোনাসহ কয়েকজন কর্মচারীও অংশ নেন। বৈঠক শেষে যেকোনো মূল্যে ছাত্র জনতার আন্দোলন প্রতিহত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। মিটিংয়ে উপস্থিত একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র অঞ্জনের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে গত ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় আসন্ন ২০২৫–২৬ কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। এতে ১৩টি পদের বিপরীতে মনোনয়ন আহ্বান করা হয়। পরে ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রতিটি পদে একজন প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হচ্ছেন অঞ্জন-উর-রহমান।

তবে জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতাকারী হিসেবে তার ভূমিকা প্রকাশ পাওয়ায় এ নিয়োগকে ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিএনপিপন্থী কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষকদের একটি অংশ তার প্রতি মৌন সমর্থন দিচ্ছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগপন্থী এক কর্মচারী বলেন, “সে জুলাইয়ের সময় চরম বিরোধিতাকারী ছিল। তাকে আমরা বিভিন্ন মিটিংয়ে দেখেছি, সে আন্দোলন নস্যাতে সহযোগিতা করেছে। সে সভাপতি হলে জুলাই আন্দোলনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হবে। এই কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও অনেকটা আগের ফ্যাসিস্ট সময়ের রাতের ভোটের মতো হয়েছে—বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী সবাই।”

জুলাই বিরোধী তালিকায় নাম থাকার বিষয়টি  অস্বীকার করে অঞ্জন-উর-রহমান বলেন, "আমি আপনাদের সাথে দেখা করবো"

উল্লেখ্য, জুলাই বিরোধিতা ইস্যুতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচন এখনও স্থগিত রয়েছে।

Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator