গণমাধ্যমের নামে প্রতারণা, মোজাফফরের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড় উঠেছে | আই নিউজ বিডি

গণমাধ্যমের নামে প্রতারণা, মোজাফফরের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড় উঠেছে..

মোঃ মোসাদ্দেক হোসাইন ইমন avatar   
মোঃ মোসাদ্দেক হোসাইন ইমন
গণমাধ্যমের নামে প্রতারণা, মোজাফফরের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড় উঠেছে..
গণমাধ্যমের নামে প্রতারণা, মোজাফফরের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝড় উঠেছে..
ছবি: সংগৃহীত
There has been a flurry of allegations against Mozaffar, fraud in the name of media

দৈনিক চেতনায় বাংলাদেশ পত্রিকা ও Channel 36 (DCB Television)–এর চেয়ারম্যান কেএম মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে একের পর এক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। বিজ্ঞাপন প্রকাশ, পরিচয়পত্র নবায়ন, আর্থিক লেনদেন, মাইক্রোফোন ও কর্পোরেট সিম প্রদানের নাম করে সাংবাদিক ও প্রতিনিধিদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের পর তা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

 

যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মৃত খন্দকার শফিউদ্দিনের ৭ সন্তানের মধ্যে কনিষ্ঠ এই কেএম মোজাফফর বর্তমানে নিজেকে জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যম উদ্যোক্তা পরিচয় দিলেও অভিযোগের বর্ণনায় উঠে এসেছে ভিন্ন বাস্তবতা।

 

অভিযোগকারীদের দাবি– বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশের আশ্বাস দিয়ে অর্থ গ্রহণ করলেও তা পত্রিকায় ছাপাননি মোজাফফর।

 

সাবেক সাতক্ষীরা জেলা ক্রাইম রিপোর্টার মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, ১ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভর্তি বিজ্ঞাপন ছাপানোর জন্য বিকাশের মাধ্যমে ১,৭০০ টাকা পরিশোধ করেন তিনি। কিন্তু বিজ্ঞাপনটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। যোগাযোগ করলে মোজাফফর ভুলবশত ছাপা হয়নি বলে জানিয়ে পরবর্তীতে প্রকাশের আশ্বাস দেন। কিন্তু দীর্ঘ ১১ মাস পার হলেও বিজ্ঞাপন প্রকাশ তো হয়নি-ই, অর্থও ফেরত পাননি তিনি।

 

অন্য ভুক্তভোগীরা জানান, মাইক্রোফোন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেড় থেকে দুই বছর পার হলেও কেউ মাইক্রোফোন পাননি। কর্পোরেট সিমের জন্য ৩০০ টাকা এবং কলার টিউনের জন্য ২০০ টাকা পরিশোধ করেও সিম না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে বহু প্রতিনিধির।

 

এছাড়াও প্রতিনিধিদের কাছ থেকে কার্ড নবায়ন ফি হিসেবে বারবার টাকা নেওয়া হলেও অনেকেই নতুন কার্ড পাননি – এমন অভিযোগও রয়েছে। বহু প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তাদের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে পরিশোধের ক্ষেত্রে নানা তালবাহানা করছেন মোজাফফর।

 

ভুক্তভোগীরা আরও অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের নামে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা প্রতিনিধিদের কাছ থেকে ৩ হাজার, ৫ হাজার, এমনকি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি করেছেন মোজাফফর।

 

প্রতিষ্ঠানটির অফিস ঠিকানা ঘিরেও দেখা গেছে গুরুতর অসঙ্গতি। পূর্বে প্রকাশিত হেড অফিস ও করপোরেট অফিসের ঠিকানায় অনুসন্ধান করে কোনো অফিস খুঁজে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে দাবি করা নয়াপল্টন ও যশোর অফিসেও সঠিক ঠিকানা নেই বলে অভিযোগ প্রতিনিধিদের। এসব ভুয়া ঠিকানা প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।

 

একাধিক প্রতিনিধি জানান, আমরা ভেবেছিলাম নিবন্ধিত একটি গণমাধ্যমে কাজ করছি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বুঝতে পারছি আমাদের বিশ্বাসের চরম অপব্যবহার করা হয়েছে। অনেকেই বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে গেছেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে কেএম মোজাফফর হোসেনের মোবাইলে বারবার কল দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

لم يتم العثور على تعليقات


News Card Generator