সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন..

Nahid Hasan avatar   
Nahid Hasan
সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন..
সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন..
ছবি: সংগৃহীত
****
 
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
হবিগঞ্জের মাধবপুরে সরকারি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে মনতলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান এজাহারটি দায়ের করেন।
জানা গেছে, সকাল পৌনে ১১টার দিকে মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্ব পালনকালে তিনি খবর পান যে উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের বরুড়া সাকিনে সোনাই নদীর রাবার ড্যাম সংলগ্ন এলাকায় কিছু লোক ইজারাবিহীনভাবে বালু উত্তোলন করছে। পরে অফিস সহায়ক মো. ইব্রাহীম আহাম্মদগুলিটন ও মো. শরীফ মিয়াকে নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা গিয়ে দেখতে পান প্রায় ১৫–২০ জন শ্রমিক নদী থেকে বালু তুলছে। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।
 
স্থানীয়দের মাধ্যমে পালিয়ে যাওয়া কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া যায়। তারা হলেন—মো. জাহাঙ্গীর মিয়া (৪৫), মো. সোহেল মিয়া (৪৮), মো. শুভ মিয়া (২৫), মো. মাজহারুল ইসলাম (২৫), মো. শাকিল মিয়া (৩৩) ও মো. রনি মিয়া (৩২)। এরা সবাই মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উল্লিখিত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি জায়গা থেকে বালু তুলে বিক্রি করে আসছে। এতে সরকারি রাজস্বের ক্ষতি হচ্ছে।
এ ঘটনায় বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় মাধবপুর থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সরকারি সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
Không có bình luận nào được tìm thấy


News Card Generator