পুতিনের ‘অস্বীকৃতি’তে রাশিয়ার তেল জায়ান্টদের ওপর ট্রাম্পের ‘প্রথম’ নিষেধাজ্ঞা.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

পুতিনের ‘অস্বীকৃতি’তে রাশিয়ার তেল জায়ান্টদের ওপর ট্রাম্পের ‘প্রথম’ নিষেধাজ্ঞা..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
পুতিনের ‘অস্বীকৃতি’তে রাশিয়ার তেল জায়ান্টদের ওপর ট্রাম্পের ‘প্রথম’ নিষেধাজ্ঞা..
পুতিনের ‘অস্বীকৃতি’তে রাশিয়ার তেল জায়ান্টদের ওপর ট্রাম্পের ‘প্রথম’ নিষেধাজ্ঞা..
ছবি: সংগৃহীত
Citing Putin's refusal to end the war, the Trump administration has imposed its first sanctions on Russia's two largest oil companies, Rosneft and Lukoil, aiming to halt their oil revenue.

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে পুতিনের অস্বীকৃতির কারণে ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার দুই বৃহত্তম তেল কোম্পানি রসনেফট ও লুকওয়েলের ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যার লক্ষ্য তেল বিক্রির আয় বন্ধ করা।

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ক্রেমলিনের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবে রাশিয়ার দুই বৃহত্তম তেল কোম্পানি রসনেফট ও লুকওয়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে এটিই তার প্রশাসনের প্রথম নিষেধাজ্ঞা। এই পদক্ষেপের প্রধান লক্ষ্য হলো রাশিয়ার তেল বিক্রির আয় বন্ধ করা, যা দেশটির যুদ্ধ পরিচালনার অর্থ জোগায়।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি তথা অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, "এখন হত্যাযজ্ঞ বন্ধের সময়। প্রেসিডেন্ট পুতিন যুদ্ধ থামাতে অস্বীকৃতি জানানোয় ট্রেজারি রাশিয়ার দুটি বড় তেল কোম্পানিকে নিষিদ্ধ করছে। প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।" এই পদক্ষেপকে রাশিয়ার তেল রপ্তানি থেকে আয় কমানোর সবচেয়ে সরাসরি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন, কারণ ভারত কম দামে রুশ তেল কিনছিল।

এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মিত্রদের পদক্ষেপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ব্রিটেন গত সপ্তাহে রসনেফট ও লুকওয়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রসনেফটের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলেও, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ার জন্য বিশেষ অনুমতির কারণে বেসরকারি লুকওয়েলকে ছাড় দিয়েছে।

এদিকে, হোয়াইট হাউসে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পুতিনের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করেছেন বলে জানান। ট্রাম্প বলেন, "বৈঠকটা ঠিক মনে হয়নি, তাই বাতিল করেছি। তবে ভবিষ্যতে করব।" মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা এডওয়ার্ড ফিশম্যানের মতে, রসনেফট ছিল রাশিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোম্পানি, যেটি এখন পর্যন্ত পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বাইরে ছিল। তিনি মনে করেন, এই সিদ্ধান্তের পর স্বল্পমেয়াদে অনেক প্রতিষ্ঠান রুশ তেল কেনা থেকে বিরত থাকতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়ন জানান, ইইউর ১৯তম নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজও শিগগির গৃহীত হবে। এতে রাশিয়ার তরল প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি নিষিদ্ধ করা, তেলবাহী জাহাজ কালো তালিকাভুক্ত করা এবং রসনেফট ও গ্যাজপ্রম নেফটের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পদক্ষেপ ইউক্রেন ও পশ্চিমা মিত্রদের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Ingen kommentarer fundet


News Card Generator