জমি দখলে গিয়ে মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন যুবদল নেতারা: রৌমারীতে সংঘর্ষ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

জমি দখলে গিয়ে মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন যুবদল নেতারা: রৌমারীতে সংঘর্ষ..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
জমি দখলে গিয়ে মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন যুবদল নেতারা: রৌমারীতে সংঘর্ষ..
জমি দখলে গিয়ে মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন যুবদল নেতারা: রৌমারীতে সংঘর্ষ..
ছবি: সংগৃহীত
Two Jubodal leaders in Roumari, Kurigram, and their hired associates fled, abandoning their motorbike, after villagers chased them during an illegal attempt to seize land. The victim has filed a writt..

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ভাড়ায় ৮ শতক জমি অবৈধভাবে দখল করতে গিয়ে গ্রামবাসীর ধাওয়ায় যুবদলের দুই নেতাসহ ভাড়াটিয়ারা মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়েছেন। ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ মিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে যুবদলের দুই নেতাসহ একদল ভাড়াটিয়া বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ৮ শতক জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ মিয়া যুবদলের দুই নেতাসহ মোট ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে রৌমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কোমরভাঙ্গী মধ্যপাড়া গ্রামে।

অভিযুক্ত যুবদল নেতারা হলেন— উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ধনারচর গ্রামের শাহজালাল এবং সদস্য কাশিয়াবাড়ী গ্রামের নাজমুল হোসেন টাইগার।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ মিয়ার বাবা আব্দুল কাদের প্রায় ৩০ বছর আগে ১৬ শতক জমির মধ্যে ৮ শতক জমি আইনাল নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন। আইনাল মিয়া মারা যাওয়ার পর তার ছেলে চাঁন মিয়া বাকি ৮ শতক জমি দখলের উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল ও সদস্য নাজমুল হোসেন টাইগারসহ প্রায় ১২ জনকে ভাড়া করে আনেন। জমি দখল করতে গিয়ে তারা আব্দুল্লাহ মিয়ার পরিবারের প্রতিবাদ ও বাধার মুখে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি দেখে গ্রামবাসী ভাড়াটিয়াদের ধাওয়া শুরু করলে প্রাণ বাঁচাতে যুবদল নেতারা তাদের মোটরসাইকেল ফেলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

তবে অভিযোগের বিষয়ে যাদুরচর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহজালাল তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তারা কারো ভাড়াটিয়া হিসেবে জমি দখল করতে যাননি, বরং মীমাংসার লক্ষ্যে সেখানে গিয়েছিলেন। উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে সম্মান বাঁচাতে মোটরসাইকেল রেখে তারা দ্রুত সেখান থেকে চলে আসেন। তিনি আরও দাবি করেন, কোনো গণধোলাইয়ের ঘটনা ঘটেনি এবং একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান পলাশ জানিয়েছেন, যুবদলের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে জমি দখল বা অন্য কোনো অভিযোগ উঠলে তা তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে জেলা নেতাদের সঙ্গে কথা বলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রৌমারী থানার ওসি মো. সেলিম মালিক জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Keine Kommentare gefunden


News Card Generator