বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সব ধর্ম, বর্ণ ও মতের মানুষের মধ্যে ঐক্যের ভিত্তি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি — এমনটাই বলেছেন সমাজকর্মী ও তরুণ প্রজন্মের উদীয়মান নেতা নাহিদ ইসলাম। তিনি মনে করেন, দেশের অগ্রযাত্রা তখনই সম্ভব যখন প্রত্যেক নাগরিক ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে একে অপরকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার চোখে দেখবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা সবাই একই মাটির সন্তান, আমাদের লক্ষ্যও একই — একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া। এই লক্ষ্য পূরণে কারও ধর্ম, ভাষা বা রাজনৈতিক মতাদর্শ কোনো বাধা নয়। বরং বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়েই আমাদের শক্তি খুঁজে নিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “সকল ধর্ম-বর্ণ-মতের মানুষের ঐক্য ও সহাবস্থান নিশ্চিত করাই হবে আগামী দিনের রাজনীতির মূল ভিত্তি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সহযোগিতার মাধ্যমেই আমরা শান্তি ও উন্নতির পথে এগোতে পারব।
তিনি মনে করেন, বর্তমান প্রজন্মকে সচেতন ও মানবিক হতে হবে এবং ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চার মাধ্যমেই সমাজে ঐক্য ও সম্প্রীতির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ নানা ধর্ম-বর্ণের মানুষ যুগ যুগ ধরে মিলেমিশে বসবাস করছে। এই ঐতিহ্য আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই শক্তিকেই কাজে লাগিয়ে আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে পারব।
তিনি সবাইকে আহ্বান জানান ঘৃণা ও বিভেদের রাজনীতি পরিহার করে ভালোবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার জন্য। তাঁর মতে, এভাবেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবে রূপ নিতে পারে।
নাহিদ ইসলামের এই বার্তা এখন তরুণ সমাজের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ঐক্যের আহ্বানই হতে পারে জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার নতুন দিকনির্দেশনা।