একে আসলে 'কোটা' বলা যায় না, বরং এটি 'সংখ্যাতিরিক্ত ভর্তি সিট' - ইবি… | আই নিউজ বিডি

একে আসলে 'কোটা' বলা যায় না, বরং এটি 'সংখ্যাতিরিক্ত ভর্তি সিট' - ইবি শিক্ষক..

Mahfujul Haque Piyas avatar   
Mahfujul Haque Piyas
একে আসলে 'কোটা' বলা যায় না, বরং এটি 'সংখ্যাতিরিক্ত ভর্তি সিট' - ইবি শিক্ষক..
একে আসলে 'কোটা' বলা যায় না, বরং এটি 'সংখ্যাতিরিক্ত ভর্তি সিট' - ইবি শিক্ষক..
ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইসিটি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘পোষ্য কোটাকে কখনোই সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক বলা যায় না। কারণ এটি মূল ভর্তি সার্কুলারে উল্লেখিত..

মাহফুজুল হক পিয়াস, ইবি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইসিটি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘পোষ্য কোটাকে কখনোই সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থের সাথে সাংঘর্ষিক বলা যায় না। কারণ এটি মূল ভর্তি সার্কুলারে উল্লেখিত আসনের বাইরে অতিরিক্ত সিট, যা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি প্রথা। তাই একে আসলে "কোটা" বলা যায় না; বরং এটি "সংখ্যাতিরিক্ত ভর্তি সিট"।’

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে তিনি এমন মন্তব্য করেন। পরে তিনি উক্ত মন্তব্য সংবলিত পোস্টটি সরিয়ে নেন।

তিনি ঐ পোস্টে আরো বলেন, "পোষ্য সিটের কারণে অন্য কারো ভর্তি সুযোগ নষ্ট হয় না। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আন্দোলনের নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যেভাবে কিছু শিক্ষার্থী বাড়াবাড়ি করছে এবং সম্মানিত শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছে-তা অত্যন্ত নিন্দনীয়, গর্হিত অপরাধ। এ ধরনের আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত।"

পরবর্তীতে, নতুন আরেকটি পোস্টে তিনি বলেন, "আমি বাংলাদেশের সকল ক্ষেত্রে পোষ্যকোটার বিরুদ্ধে! আশাকরি এবার সবাই আমাকে সাপোর্ট করবেন এবং একই সাথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দের সাথে যে বা যারা চড় থাপ্পড়ের মত ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিচার চাইবেন (নাকি শিক্ষকবৃন্দের বিচার চাইতে নেই?)।"


এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ড. জাহিদ বলেন, এইটা নিয়ে আসলে আর কোন মন্তব্য নেই, কারণ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় তো এটা চালু আছে। আমি মূলত পোস্টটা দুটো কারণে দিয়েছিলাম দুটো অংশে। একটি হল যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের উপরে যে ওপেনলি অবমাননা হয়েছে, মূলত ওটাই বলতে চেয়েছি।

তিনি আরো বলেন, "বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আসলে যেকোনো জিনিসই তো প্রয়োজন আছে। প্রয়োজন আছে বলে তো ছিল। তো এখন হয়তো প্রয়োজন কম হয়েছে বা নাই। তো সবকিছু মিলে এটার পজিটিভ দিকও আছে আবার খারাপ দিকও আছে। কারণ একজন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী, সে বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্ভিস দেয়, তার সন্তান যদি পড়ে-এটা দরকার। আবার অনেক ক্ষেত্রে এটা মিসইউজ হয়। মানে সবকিছুরই ভালো মন্দ আছে।

পোস্টটি কোনো রকম চাপের কারণে উঠিয়ে নিয়েছে কি না- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "না না কোন চাপ না। এটাতে আসলে অনেক ধরনের কমেন্টস আসছে। আমার স্টুডেন্টরাও সেখানে আছে। যা বলতে চেয়েছি তা যদি না বোঝে- একটি লেখার মাধ্যমে তো সবকিছু বোঝানো যায় না। আমি জাস্ট কালকে বাসে ছিলাম এজন্য উত্তর দিচ্ছিলাম। আমার সময়ও কম। তো এইজন্য পরে উঠিয়ে নিয়েছি। "

没有找到评论


News Card Generator