বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দঃ তক্তাবুনিয়া রহিমিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রিজটি মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে ।
যেকোন সময় ধ্বসে পরতে পারে ব্রিজটি , দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ টেপুরা ও দঃ তক্তাবুনিয়া ব্রিজটি দীর্ঘদিন যাবত বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ এই ব্রিজ দিয়ে চলাচল করে।এই ব্রিজ দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খুব সহজে যাতায়াত করা যায়। এ রাস্তা দিয়ে শতশত রিকশা, ভ্যান, ইজিবাইক, ভডভডি, নসিমন, সিএনজি, ও কোম্পানীর পিক-আপ ভ্যানসহ বিভিন্ন রকমের মোটরযান চলাচল করে।
উল্লেখ্য, আমতলী উপজেলার চাওড়া ও হলদিয়া ইউনিয়নের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী চাওড়া নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও দুর্ভোগে পড়েছেন দুই পাড়ের কয়েক হাজার বাসিন্দা। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় অটোরিকশাসহ যাত্রীরা নদীতে পড়ে যায়। এছাড়া, গত বছর ২২ জুন একই ঠিকাদার নির্মিত হলদিয়াহাট সেতুর উপরে ১৬ জন বরযাত্রী নিয়ে মাইক্রোবাস পারাপারের সময় সেতু ভেঙে নদীতে পড়ে গিয়েছিল। স্থানীয়সুত্রে জানাগেছে,মাইক্রোবাস ও ইজিবাইকটি মাঝ বরাবর আসতেই সেতুটি ভেঙে নদীতে পড়ে যায়, যাতে মাইক্রোবাস ও ইজিবাইকের যাত্রীরাও নদীতে পড়ে যান, ৯ জন নিহত হয় ।
স্থানীয় মোঃশহিদুল আকন জানান, ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন মানুষ চলাচল করে।গাজিপুর বন্দরে ও নমর হাট সাপ্তাহিক এক দিন বাজার বসে।গ্রামের কোনো মানুষ যদি খুব গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত এম্বুলেন্স করে হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি দীর্ঘ প্রায় ১০-১৫ বছর আগে তৈরি করে।এখন আর কোনো মেরামত করা হয়নি।দীর্ঘদীন যাবত পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে।ব্রিজটির এ অবস্থা থেকে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ।
হলদিয়া ইউপি সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান সেতু মল্লিক বলেন, এ ব্রিজ দিয়ে সর্বনিম্ন ১০ গ্রামের মানুষ প্রতিনিয়ত চলাচল করে । এ গ্রামের পাশে প্রাইমারি স্কুল ও হাইস্কুল রয়েছে। ব্রিজটির বেহাল দশা গত কয়েক বছর ধরে।অতি দ্রুত ব্রিজটির সংস্কার করা না হলে এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটারও সম্ভাবনা রয়েছে। তাই বৃহত্তর জনস্বার্থে দ্রুত ব্রিজটির মেরামত করা প্রয়োজন
দঃ তক্তাবুনিয়া রহিমিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রিজটি যেন মরন ফাঁদ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
দঃ তক্তাবুনিয়া রহিমিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রিজটি যেন মরন ফাঁদ..
ছবি: সংগৃহীত
कोई टिप्पणी नहीं मिली