কুমারখালীতে কালিগঙ্গায় গোসলে নেমে নিখোঁজ সেই সোহানা ঢাকায় আগের স্বামীর বাসায়!.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

কুমারখালীতে কালিগঙ্গায় গোসলে নেমে নিখোঁজ সেই সোহানা ঢাকায় আগের স্বামীর বাসায়!..

Imran Hossain avatar   
Imran Hossain
কুমারখালীতে কালিগঙ্গায় গোসলে নেমে নিখোঁজ সেই সোহানা ঢাকায় আগের স্বামীর বাসায়!..
কুমারখালীতে কালিগঙ্গায় গোসলে নেমে নিখোঁজ সেই সোহানা ঢাকায় আগের স্বামীর বাসায়!..
ছবি: সংগৃহীত
****

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে কালিগঙ্গায় গোসলে নেমে নিখোঁজ সোহানার খোঁজ মিলেছে, ঢাকায় তার স্বামীর বাসায়! প্রায় ১০ দিন পর তার পরিবার সূত্রে জানা যায় সোহানার আগের স্বামী তার আপন খালাতো ভাই। 

প্রায় দেড় বছর আগে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। পরে আগে স্বামী ও আরেক টা বিবাহ করেন পরিবার থেকে লুকিয়ে কিন্তু সেই আগের স্বামীর কাছেই সোহানা ফিরে গিয়েছে। 

উল্লেখঃ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় বাগুলাট ইউনিয়নের বাঁশ গ্রাম কালী নদী গোসলে নেবে নিখোঁজ সোহানা। এমন একটি সংবাদ পোস্ট করা হয় আপডেট কুষ্টিয়ায়। এ নিয়ে পাঠক নানা ধরনের মন্তব্য করেন। ওই সময় সন্তান হারানোর শোকে মাতম মা শিরিনা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি বিছানায় শুয়ে আছেন। তাকে ঘিরে বসে ও দাঁড়িয়ে আছেন স্বজন ও প্রতিবেশিরা। পাগল প্রায় বাবা গোলাম মওলা ঘরের বারান্দার দেওয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আছেন। সে সয় পরিবারের সদস্যরা অনেকটা নিশ্চিত হয়েছিলেন সোহানা ডুবে মারা গেছে।

সন্তানের শোকে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। গোলাম মওলা ও শিরিনা দম্পতি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাগুলাট ইউনিয়নের বাঁশগ্রাম কারিগর পাড়ার বাসিন্দা। রোববার (২০ জুলাই) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে সরেজমিন গিয়ে এ দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় গৃহিনী শিরিনা খাতুন বিলাপ করতে করতে বলেন, ' সোনা গো, আমার সোনা, কই গেলিরে এমন আহাজারিতে প্রতিবেশীদের চোখে জল চলে আসে। 
ঘটনার পর দুইদিন ধ রে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও এলাকাবাসী অভিযান চালিয়েও তাকে উদ্ধার করতে পারিনি।

এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সুত্রে জানা যায়, ওই দিন বাড়ির পাশের মরা কালিগঙ্গা নদীতে শনিবার দুইটার দিকে এক গামলা কাপড়চোপড় কাচতে এবং গোসল করতে গিয়েছিল সোহানা খাতুন। পরে বাড়িতে ফিরতে দেরি হওয়ায় মা শিরিনা তাকে নদীতে ডাকতে যান। তিনি গিয়ে দেখেন গামলা ভরা কাপড়চোপড় পড়ে আছে, তবে সোহানা নেই। এরপর স্বজন ও স্থানীয়রা নদীতে নেমে খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। 

পরে ওইদিন রাত ৮টা থেকে কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এবং গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে ফুলনার ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তবে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত নিখোঁজ সোহানাকে উদ্ধার করতে পারেনি কেউ। 

কোনো স্রোত নেই নদীতে। সেখানে নৌকায় চরে উদ্ধার অভিযান চালান ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। তাদের সহযোগীতা করেন এলাকাবাসি। ভিড় করেন কয়েক শত উৎসুক জনতা। স্বজনরা আহাজারিতে ভেঙে পড়েন। দুই দিন ধরে এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ হয়। এর পর থেকে নানা গুঞ্জন চলছিল এলাকাবাসীর মাঝে।
অবশেষে ১০ দিন পর সে গুঞ্জন সত্যি হলো। সে পালিয়ে আগের স্বামী কাছে ঢাকাতে আছেন।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator