কেডিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, “আপনাদের সহযোগিতায়ই এই অভিযান চলছে। আপনারাই চান রাস্তা বড় হোক। আমরা সেই প্রয়োজন থেকেই কাজ করছি।”
তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহ পার হতে না হতেই উচ্ছেদ হওয়া জায়গাগুলোতে পুনরায় দোকান বসানো হয়েছে। আবারও সেসব স্থানে ঝুপড়ি, টিনের ছাউনি ও কাঠের চালা দিয়ে বসে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। অনেকে তো দোকান চালু করে বিক্রিও শুরু করে দিয়েছেন।
এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের প্রশ্ন, “উচ্ছেদের পর এত দ্রুত আবার দোকান বসে কীভাবে? এর পেছনে কারা আছে?”
তারা মনে করছেন, প্রশাসনের নজরদারির অভাব এবং প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় আবারও জমজমাট হয়ে উঠছে দখলদারদের দাপট।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসচালক বলেন, “আমরা তো ভেবেছিলাম রাস্তা একটু প্রশস্ত হবে, গাড়ি চলাচল সহজ হবে। কিন্তু এখন তো আবার আগের মতোই হয়ে গেছে।”
এ বিষয়ে কেডিএ’র পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল বলছে, এককালীন উচ্ছেদ নয়, প্রয়োজন নিয়মিত তদারকি এবং কঠোর আইন প্রয়োগ—তবেই টিকবে সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রম।