সম্প্রতি শ্যামা কালীপূজা উপলক্ষে তাঁরা সংশ্লিষ্ট মন্দির কমিটির প্রতিনিধিদের হাতে এসব উপহার তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্য বিনিময় করেন তাঁরা।
এ বিষয়ে মেহেদী হাসান বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। প্রত্যেক ধর্মের মানুষ যেন নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব আনন্দ, উৎসাহ ও নিরাপত্তার সঙ্গে উদযাপন করতে পারেন, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা। সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক।
অন্যদিকে সুমন দাস বলেন, ধর্মীয় উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের আনন্দের বিষয় নয়, বরং এটি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার একটি উপলক্ষ। সবাই মিলে উৎসব উদযাপনের মধ্য দিয়েই একটি সুন্দর ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
উল্লেখ্য, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাট সদর উপজেলার ৭ নম্বর রাখালগাছি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান। তবে নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণ ও মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন।
স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাখালগাছি ইউনিয়নে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।